খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

অপ্রিয় হওয়ার সাহসিকতা ।। ইচিরো কিশিমি এবং ফুমিটাকি কোগা

অপ্রিয় হওয়ার সাহসিকতা: ইচিরো কিশিমি এবং ফুমিটাকি কোগার বইটি আলোচিত হচ্ছে বাংলা ট্রিবিউনের সাহিত্য বিভাগে

সাম্প্রতিক কালে প্রকাশিত একটি সাহিত্যিক ধারাবাহিকের মাধ্যমে ইচিরো কিশিমি এবং ফুমিটাকি কোগার “অপ্রিয় হওয়ার সাহসিকতা” শিরোনামের বইটি পাঠকমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বইটিতে একজন তরুণ এবং একজন দার্শনিকের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানী অ্যালফ্রেড অ্যাডলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদকে তুলে ধরা হয়েছে: “জীবন কোনো প্রতিযোগিতা নয়।”

সংলাপে তরুণ ব্যক্তি অ্যাডলারের এই বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন যে, “শ্রেষ্ঠত্বের সাধনা”—অর্থাৎ অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মানুষ হওয়ার চেষ্টা—একটি সর্বজনীন আকাঙ্ক্ষা। অন্যদিকে, বইটি অতিরিক্ত মাত্রায় শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি ঝুঁকে পড়া এবং হীনম্মন্যতার অনুভূতির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তাও দিয়েছে। লেখকরা যুক্তি দিয়েছেন যে, এই আকাঙ্ক্ষা মানবিক, তবে এটি যখন অত্যধিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক রূপ নিয়ে যায়, তখন তা ব্যক্তিকে মানসিক সংকটে ফেলতে পারে।

বাংলা অনুবাদে প্রকাশিত এই ধারাবাহিকটি অ্যাডলারের মনোবিজ্ঞানকে সহজ ভাষায় বাঙালি পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াস করে। বইটিয়ে উপস্থাপিত সংলাপে দেখা যায়, তরুণ ব্যক্তি অ্যাডলারের তত্ত্বকে পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারেননি, আর দার্শনিক তাকে প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করেন। এই পদ্ধতিয়ে লেখকরা পাঠকদেরকে নিজেদের প্রশ্ন করতে এবং চিন্তা করতে উৎসাহিত করেন, যাতে তারা কেবল বইটি না, বরং অ্যাডলারের মূল বক্তব্যকেও বুঝতে পারেন।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, বইটিয়ে অ্যাডলারের বক্তব্যকে পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত করা হয়নি; বরং এটি একটি বিতর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি হিসাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা পাঠকদের নিজস্ব চিন্তার বিষয় হতে পারে। সমালোচকরা বলছেন যে, “শ্রেষ্ঠত্বের সাধনা” শব্দটি বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে এবং এটি ব্যক্তির মূল্যবোধ, সংস্কৃতি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করে।

বাংলা ট্রিবিউনের সাহিত্য বিভাগে প্রকাশিত এই পর্যালোচনায় আরও বলা হয়েছে যে, কিশিমি এবং কোগার কাজটি কেবল একটি দার্শনিক আলোচনাই নয়, বরং এটি একটি আত্ম-পরীক্ষামূলক গ্রন্থ, যা পাঠকদেরকে নিজেদের জীবনকে পুনর্গঠিত করার এবং প্রতিযোগিতার চাপকে অতিক্রম করার সুযোগ দিয়েছে।

এই বইটিয়ে অ্যাডলারের মনোবিজ্ঞানকে একটি সহজ এবং আকর্ষক পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা এটিকে সমসাময়িক সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য এবং ব্যক্তিগত উন্নতির বিষয়ে আলোচনার প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT