
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লক্ষ্য চোখে ফেলে ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে সৌদি আরবের সমর্থন চাইছে বলে প্রশাসনিক তথ্য দেওয়া হয়েছে। এই চেষ্টাটি যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টায় চলছে। সোমবার (१२ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ একটি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রকাশ করেছেন।
নেতানিয়াহু ইসরায়েলের সরাসরি হস্তক্ষেপের বিষয়ে সৌদি আরবের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বায়ী করার লক্ষ্যে সম্পর্ক এগোতে চান। তার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথ খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দৈর্ঘ্যী লক্ষ্য সত্ত্বে রয়েছে।
তবে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান (মবিএস)-এর দাবি করা যায় যে সৌদি আরবের সমর্থন দেওয়ার আগে তার সম্মতি গ্রহণ করা উচিত। উচ্চতা জানিয়েছেন যে ইসরায়েলের বাহিনী ইয়েমেনে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে সৌদি জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তাঁর আশঙ্কা হলো যে যদি ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে সৌদি অংশগ্রহণ শুরু হয়, তবে এটি সৌদি জনগণের মনে সংগ্রাম সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক সংগঠনে লক্ষণমূলক বাধা সৃষ্টি হয়েছে। নেতানিয়াহু ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন এবং এগোতে বলেছেন যে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে না হবে। ফলস্বরূপ, ফিলিস্তিন ইস্যু দুই দেশের সম্পর্ক সংগঠনে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় সৌদি আরব সামরিক ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিরোধিতা জানিয়েছেন যে ইসরায়েলের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের অনুমতি প্রদানের বিষয়ে তিনি বিরোধী।
