
দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাব্য সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুবিধাটিকে বাস্তবায়নে লানোর জন্য শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য সেবা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি, একসাথে বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করা এবং কর্মস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে কার্যকর নীতি প্রয়োজন হবে।
যদি এই পরামিতিগুলো সঠিকভাবে নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে তরুণ জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে নীতি নির্ধারকদের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) দ্বারা সতর্ক দিয়েছেন।
