খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ওসমানী উদ্যানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর তিনি শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এবং আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের শুভ উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী প্রথমে স্মৃতিস্তম্ভের প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি আধুনিকায়নকৃত উদ্যান পরিদর্শন করেন এবং উদ্যানের পাশে নির্মিত গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি প্রায় এক একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এবং এর উচ্চতা ৯০ ফুট। স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের সামনে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক স্থাপন করা হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের বাইরের দিকে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে চার ফুট উঁচু এবং ভেতরের দিকে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে সাত ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য রয়েছে, যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণআন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেছে।

ঐতিহ্যবাহী ওসমানী উদ্যান, যা রাজধানীর পুরান ও নতুন ঢাকার সংযোগস্থলে অবস্থিত, তার আয়তন ২৩ একর। আধুনিকায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে উদ্যানটিকে সবুজ, নিরাপদ এবং আধুনিক নাগরিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে পুরোনো জলাশয় সংস্কার করা হয়েছে এবং পাঁচটি নতুন জলাশয় নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যমান গাছপালা সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন বৃক্ষরোপণ ও সবুজ দ্বীপ তৈরি করা হয়েছে।

উদ্যানটিতে প্রায় ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ হাঁটার পথ, ব্যায়ামাগার, প্যাগোডা, গণশৌচাগার, পার্কিং সুবিধা এবং জলাশয়ের ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দুই স্তরে সাজানো উদ্যানটির সড়ক থেকে দুই মিটার উঁচুতে দ্রুত চলাচলের পথও নির্মাণ করা হয়েছে।

এই দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাজধানীবাসীর জন্য সবুজ ও আধুনিক নাগরিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে ওসমানী উদ্যানকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

October 19, 2026
শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT