
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে জাতীয়তান্ত্রিক পক্ষের সাবেক নেতাবাদী রাশেদ খান একটি পোস্টে শ্রমিক আন্দোলন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিচারব্যাখ্যান করেন। তাঁর পোস্টে প্রধানত তিন মাস ধরে রাজপথে পাহারা দেওয়ার বিকল্প নেই বলে জোর দেওয়া এবং আওয়ামী লীগের কীচ্ছায়ের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
রাশেদ খান বলেন, দীর্ঘ সময় আড়ালে থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। যেকোনো সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠলে সেখানে দলটির নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে, এই আশঙ্কা তিনি প্রকাশ করেন। তিনি জামায়াত ও Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) সম্পর্কেেও প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতে শহীদ ওসমান হাদির পথ অনুসরণ করতে কি না, তা জামায়াত ও এনসিপির নiyet পরীক্ষা করতে হবে। তিনি ধরে নেন, যদি না করতে পারলে রাজনৈতিক স্বার্থে শহীদ ওসমান হাদির নাম ব্যবহার হচ্ছে। তিনি জামায়াত ও এনসিপিকে ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনাকে দূরে बतেও মন্তব্য করেন।
শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নে রাশেদ খান বলেন, মজুরি বোর্ডের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সেখানে সরকার, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া আছে। কারও এককভাবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই, এই বিষয়ও তিনি উল্লেখ করেন।
নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম শ্রমিকদের আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছেন। তিনি নাহিদের উক্তির উদাহরণ দেয়: “অতীতে আন্দোলনে আওয়ামী লীগ জামায়াত ভূত দেখতো, এখন বিএনপি আওয়ামী লীগ ভূত দেখছে।”_rashid প্রশ্ন তোলেন, এর মাধ্যমে আন্দোলনে শ্রমিকবেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে কি না।
অতএব, রাশেদ খান জানিয়ে দেন, আহ্বানের পর সাড়া না দিয়ে গার্মেন্টস শ্রমিকেরা কাজে ফিরছে। তাঁর লেখায়, “আলহামদুলিল্লাহ, নাহিদ ইসলামের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে কাজে ফিরতে শুরু করেছে গার্মেন্টস কর্মীরা।” এই বক্তব্যে তিনি সাক্ষ্য করেন।
শেষে রাশেদ খান দাবি করেন, বর্তমান বিএনপি সরকারকে একদিকে জামায়াত ও অন্যদিকে পতিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাঁর ভাষ্যে, রাজপথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা মোকাবিলায় বিএনপিকেই এগিয়ে আসতে হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানে জামায়াত ও এনসিপিকে আর পাশে পাওয়া যাবে না, এই মন্তব্য তিনি করেন।
