নিজস্ব প্রতিনিধি :দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেভাবে দাঁড়িয়েছে, সেটাতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারছি না। যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুন করা হচ্ছে, বিশেষ করে আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছিকিন্তু সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করব, সরকার এ ব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন এবং এঘটনাগুলো যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে ইলেকশনের সময় আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।তিনি বলেন, তারেক রহমান যে সফরটি করছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত সফরই বলা যায়। তিনি তার নিজের এলাকা বগুড়ায় যাবেন। সেখান থেকে রংপুরের জুলাই শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এখান থেকে তিনি দিনাজপুরে যাবেন তার নানীর কবর জিয়ারত করতে।এরপর ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন সেখানে কয়েকজন শহীদ রয়েছেন, তার মধ্যে একজন শহীদের কবর জিয়ারত করবেন। তারপর বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে একটি গণদোয়ায় অংশ নেবেন। বলা যেতে পারে, এটি তার একটি ব্যক্তিগত দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেভাবে দাঁড়িয়েছে, সেটাতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারছি না। যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুন করা হচ্ছে, বিশেষ করে আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি।কিন্তু সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করব, সরকার এ ব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন এবং এঘটনাগুলো যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে ইলেকশনের সময় আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।বিজ্ঞাপনতিনি বলেন, তারেক রহমান যে সফরটি করছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত সফরই বলা যায়। তিনি তার নিজের এলাকা বগুড়ায় যাবেন। সেখান থেকে রংপুরের জুলাই শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এখান থেকে তিনি দিনাজপুরে যাবেন তার নানীর কবর জিয়ারত করতে।এরপর ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন সেখানে কয়েকজন শহীদ রয়েছেন, তার মধ্যে একজন শহীদের কবর জিয়ারত করবেন। তারপর বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে একটি গণদোয়ায় অংশ নেবেন। বলা যেতে পারে, এটি তার একটি ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা সফর।একই সঙ্গে তার দায়িত্ব রয়েছে গণঅভ্যুত্থানে যে সমস্ত শহীদ আমাদের হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর। সেটাই তিনি জানাবেন।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি যখন দেশে আসলেন তখন ঢাকাতে লাখ লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছিল। তাকে সংবর্ধনা জানাতে। এখন জেলাগুলোতে আসছেন সাধারণভাবেই নেতা কর্মীরা উজ্জীবিতদেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেভাবে দাঁড়িয়েছে, সেটাতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারছি না। যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুন করা হচ্ছে, বিশেষ করে আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি।কিন্তু সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করব, সরকার এ ব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন এবং এঘটনাগুলো যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে ইলেকশনের সময় আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।বিজ্ঞাপনতিনি বলেন, তারেক রহমান যে সফরটি করছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত সফরই বলা যায়। তিনি তার নিজের এলাকা বগুড়ায় যাবেন। সেখান থেকে রংপুরের জুলাই শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এখান থেকে তিনি দিনাজপুরে যাবেন তার নানীর কবর জিয়ারত করতে।এরপর ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন সেখানে কয়েকজন শহীদ রয়েছেন, তার মধ্যে একজন শহীদের কবর জিয়ারত করবেন। তারপর বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে একটি গণদোয়ায় অংশ নেবেন। বলা যেতে পারে, এটি তার একটি ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা সফর।একই সঙ্গে তার দায়িত্ব রয়েছে গণঅভ্যুত্থানে যে সমস্ত শহীদ আমাদের হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর। সেটাই তিনি জানাবেন।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজবাড়িতে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি যখন দেশে আসলেন তখন ঢাকাতে লাখ লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছিল। তাকে সংবর্ধনা জানাতে। এখন জেলাগুলোতে আসছেন সাধারণভাবেই নেতা কর্মীরা উজ্জীবিত হবেন।আমাদের অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো তারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাজ করার সুযোগ পাইনি এবং বিশেষ করে আমাদের ছাত্রদল তাদেরকে ঢুকতেই দেয়া হয়নি। যার ফলে সেখানে ছাত্র সংগঠনগুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম করতে পারেনি।আর যে বিষয়টা আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন, এটা জাতীয় নির্বাচনে কখনোই কোনো দিনও প্রভাব ফেলে নেই। আশা করি এবারও ফেলবে না।তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন গণভোটে আমরা নিজেরাই একইদিনে গণভোট এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন চেয়েছিলাম। সেভাবেই হয়েছে। এবং এ সংসদের যে সংস্কারগুলো নিয়ে গণভোট হচ্ছে।২০১৬ ও ২০২৩ সালে ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা জাতির সামনে প্রস্তাব তুলে ধরেছিলাম। সুতরাং সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। সেখানে না বলার তো কোনো কারণ দেখছি।