কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যাতে মোট ৮৩৭ সদস্য রয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসাইনের ফেসবুক পেজে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ২৯ পৃষ্ঠার অনুমোদনপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। কমিটিতে সাদ্দাম হোসাইনকে সভাপতি এবং আবু মো. মারুফ আদনানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে।
অনুমোদনপত্র অনুযায়ী, কমিটিতে ১৯২ জনকে সহসভাপতি, ২২ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক ও উপসম্পাদক পদে ২৬৭ জন, সহসম্পাদক পদে ১৮০ জন এবং সাধারণ সদস্য হিসেবে ১৭৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পদসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ১৯২ জন সহসভাপতি পদে রক্ষা করা হয়েছে।
এটি উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালের ২ নভেম্বর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের আগের কমিটি বিলুপ্ত করে ১৪ সদস্যের একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে কমিটির মেয়াদ এক বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেদিনও সভাপতি হিসেবে এস এম সাদ্দাম হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু মো. মারুফ আদনানের নাম ছিল। কিন্তু নির্ধারিত এক বছরের মধ্যে ওই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। প্রায় ছয় বছর পর এসে ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হলো।
নতুন কমিটি নিয়ে ছাত্রলীগের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিটি গঠনে কাউকে বঞ্চিত করা হয়নি। যারা কমিটিতে থাকতে চেয়েছেন, তাদের সবাইকে কোনো না কোনো পদে রাখা হয়েছে। তবে এত বড় কমিটিতে পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু বলেননি।
সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে কমিটিতে বিপুলসংখ্যক পদ সৃষ্টি ও পদ বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ৮৩৭ সদস্যের কমিটিতে ১৯২ জনকে সহসভাপতি এবং ২৬৭ জনকে বিভিন্ন সম্পাদক ও উপসম্পাদক পদে রাখার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছে। অনেকের মতে এত বিশাল কমিটি গঠন সংগঠনাত্মক দক্ষতার চেয়ে politieke সমন্বয়ের ফলাফল বেশি।
উৎস: bd24live.com