
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর ভাঙনের প্রভাব দৃশ্যমান হচ্ছে। নদীর তীরে বসতবাস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও আবাদি জমি নদীগর্ভে ডूबে যাচ্ছে। місцеীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের মতে, বন্যার পর সদর উপজেলার নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্ভবপুর, নামোজগন্নাথপুর, ফিল্ডেরহাট, কানছিরা, বোগলাউড়ি ও ঝাইলপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় হাজारों পরিবারের বাসাবাস নদীকে গেলে গেছে।
ভাঙনের আতঙ্কে locality-LEVEL মসজিদের microphone-এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা বাসিন্দাদের সতর্কতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সি উন্নয়ন ও Punarbhabana কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছেন, তবে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট Punarbhabana বা Punarnirman পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়নি।
বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য স্থানীয় নেতागণ দরকারি সহায়তা ও Punarbhabana প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের आग्रহ করছেন। পদের মধ্যে নদীর ভাঙনের পরিমাণ, effected এলাকার বিস্তার ও effected জনসংখ্যার সঠিক তথ্য এখনও পुष্টি হয়নি; এ বিষয়ে Sarkari পরীক্ষা ও সংগ্রহ চলমান condition‑এ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের居民রা নদী তীরে বসবাস ও কৃষি জীবনযাত্রার উপর ভাঙনের दीर्घकालীন প্রভাব নিয়ে চিন্তিত, এবং সুরক্ষিত বাসস্থান Punarbhabana এর জন্য দীর্ঘমেয়াদী সমাধান খুঁজে পাওয়ার আশা ব-expressing।