
সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে নিজেই পরিচিত হয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটকায় তরুণী আব্দুল জলিল
বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার সময় কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিলকে একটি ভ্রাম্যমান আদালAT-এর মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই দণ্ডের পরিবর্তে তার পরিবার এবং পুলিশের কথা বলে বুঝায় যে তিনি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে চিহ্নিত করে তরুণীদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে চেয়েছেন।
পুলিশের কাছে জানা যায় যে তিনি আগে থেকেই টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করতেন এবং পোশাক পরা সৈনিকদের ছবিগুলো ব্যবহার করে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতেন। এই পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, বলে অভিযোগ পাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পরিবর্তে কুয়াকাটা পৌরসভার এক তরুণীর সাথেও একই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন যে তার স্বামীরা আগেও একাধিক তরুণীর সাথে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।
জলিলের পরিবারের সদস্যরা বলেন তার স্ত্রী তামান্না একবার নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি তরুণীকে কুয়াকাটায় রেখে চলে গেছিলেন এবং পরবর্তীতে তারা তাকে আটকে ফেলেছিলেন। এই ঘটনার পর তারা জানতে পেরে তিনি কুয়াকাটায় এসে নিজেদের অবস্থান শনাক্ত করেছেন। তারপর পুলিশকে খবর দেওয়ার পর তিনি আটকন্নত হয়েছিলেন।
হোটেল মারওয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্য তদন্ত পজিশনে কুয়াকাটার হোটেল ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান বলেন যে বুধবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিট পূর্বে জলিল হোটেলের স্টাফের মাধ্যমে একটি কক্ষ বুকিং নিচ্ছিলেন। স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী তাদের কক্ষে উঠতে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় পুলিশ তাকে আটক করেছে। তৎকালীন ক্রিমিনাল লজ্জারা বলেন যে তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর পোশাক পরে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে প্রতারণা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জলিলের বাবা মনিরের কথা বলে তিনি সন্দেহ জাগিয়েছেন যে সেনাবাহিনীর পরিচয়ের প্রचার জানার পর তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানেন যে তিনি কুয়াকাটা পৌরসভার দ্বিতীয় ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে এবং বর্তমানে তিনি পেশায় একজন জেল। তিনি কারাদণ্ড পেতে এখন টিকটকের স্টাফের মাধ্যমে অবশেষে পাওয়া গেছেন।
এই বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা কুয়াকাটা পৌরসভার সহকারী কমিশনার ইয়াসীন সাদিককে প্রশান্ত করেন যে এই চূরকম সিদ্ধান্তে ASM সহযোগিতা করে হোটেল মারওয়া থেকে জলিলকে আটক করা হয়েছে। তিনি যোগাযোগ করেন যে তিনি নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে চিহ্নিত করে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে আটকা পেয়েছেন। এই দণ্ডের সিদ্ধান্তে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি-১৮৬০-এর ১৭০ ধারার আইনি প্রয়োগ করা হয়েছে।
জলিলের বাবা মনির বিশ্বাস করা এই ঘটনায় তিনি তার সন্তানদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের বিষয়েও অভিযোগ করছেন। এই প্রতারণার তথ্য পেলে তিনি সামাজিক প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন।