
# ফুডপান্ডার সেবায় বড় চ্যালেঞ্জ ও অভিযোগে নতুন সংগ্রাম
খাবার ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপান্ডার বাংলাদেশের প্রত্যন্তে নতুন সকালে তাদের সেবা ও কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি করছে। বিভিন্ন রাইডার ও রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগে এই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
**রাইডারদের আয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা**
অনলাইন খাবার ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডারের রাইডারদের মধ্যে কম পারিশ্রমিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অভিযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কয়েকজন রাইডার মন্তব্য করেছেন যে দীর্ঘ সময় রাস্তায় কাজ করেই অর্জিত আয় থেকে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দেওয়ার পর তাঁদের বড় অংশের অবশিষ্ট অর্থ খুব সামান্য থাকে। মোটরসাইকেল বা বাইসাইকেল রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি এবং মোবাইল ডেটার ব্যয় এই ধরনের খরচের দায়িত্ব লেগে যায়। দূরত্ব ও শ্রমের তুলনায় ডেলিভারি চার্জ কম হওয়া সাথেই যে নির্দিষ্ট শর্তাবলী খুব কঠিন হওয়া, তাই রাইডারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়ে আছে।
**রেস্তোরাঁ মালিকদের কমিশন সংকট**
রেস্তোরাঁ মালিকদের মধ্যেও তীব্র অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অর্ডার বাড়লেও প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া না হওয়া তাদের প্রধান সমস্যা। একটু বিস্তারিত দেখলে লেখা হয়েছে যে কিছু রেস্তোরাঁ মালিকদের কাছে কমিশন হিসেবে ১৫% থেকে ৩৫% পর্যন্ত বেশি সিদ্ধান্ত করা হচ্ছে। এছাড়া সিসি, এভারেজ ওডিট এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম চার্জের কারণে মাস শেষে হিসাব তৈরি করা অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ নথি ও অর্থ পরিশোধের প্রশ্নেও রেস্তোরাঁ মালিকদের আটটা প্রশ্ন পোস্ট করা হয়েছে।
**রাইডার ও পারিশ্রমিকের অবস্থান**
রাইডারদের পারিশ্রমিক ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সিয়ার সাইফুল ইসলাম ও জুনায়েদ হাসানের মতো রাইডারদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ এমন ক্ষেত্রে যে যানজট বা রেস্তোরাঁয় খাবার প্রস্তুত হতে দেরি হলে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা নেওয়া বা অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়। তবে সে ক্লয়স্টারের মতো বাকি আয়ের সময়ও পাওয়া পাওয়া নেই। রাইডারদের দাবি হলো, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে রাইডারের ভাষা শোনা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
**প্রতिष্ঠানের সংগ্রাম ও পরিবেশ সংকট**
আলোচনা শুরু হয়ে গেলেও ফুডপান্ডার প্রতিষ্ঠান এখনও বড় চ্যালেঞ্জ চালিয়ে আছে। চট্টগ্রামে ফুডপান্ডার সেবা বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির চট্টগ্রাম মহানগর শাখা জানেছে। তারা বলেছে যে ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফুডপান্ডা বর্জন কর্মসূচিটি কঠোরভাবে চালিয়ে যাবে।
**মূল বিষয়ের সংক্ষেপ**
সংক্ষেপে, ফুডপান্ডার সেবাতে রাইডারদের আয়, রেস্তোরাঁ মালিকদের কমিশন এবং বিভিন্ন চার্জ নিয়ে সংghati দেখা দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতে, বিষয়ের পূর্ণ তদন্ত ও বাগদূরীকরণ বাড়িয়ে নিতে হবে। তবে প্রস্তুতি তৈরি হয় নেই। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের খাবার বিতরণ ব্যবস্থায় আরও স্পষ্ট ও নিয়মিত পদ্ধতির প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।