
পঞ্চগড়ে চা চাষী এবং কারখানা মালিকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ চা বোর্ডের আয়োজন করা পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্য্যালয়ে উত্তরাঞ্চলের চা বাগান ও কারখানার প্রশিক্ষণের কথা জানানো হয়েছে। ১১ অক্টোবর রোববার দিন দেখে বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্য্যালয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিনিধি উপস্থিত হয়। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মেসবাহ উ্দ্দিন আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন। একই সময়ে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনিস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. ইসমাইল হোসেনও বক্তব্য দেন। তার সাথে রোববারের ত্রিশটি চা কারখানা থেকে প্রতিনিধি প্রায় ঠাব্য সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এই প্রশিক্ষণ মূলত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং চা কাটের মূল্যায়নে लक্ষিত।
প্রশিক্ষণ সেশনে উত্তরাঞ্চলের বটলিফ টি ফ্যাক্টরি ওনার্স এসোসিয়াশনের সভাপতি মরগেন চা কারখানার মালিক নেওয়াজ আলী চিশতি ও স্মল টি ওনার্স এসোসিয়াশনের সহ-সভাপতি শাহাজাহান খান, ক্ষুদ্র চা চাষী আনিসুজ্জামান প্রমানিক, সুপ্রিম টি কারখানার ম্যানোজার আমজাদ হোসেন तथা জেলার প্রায় ৬০ জন চা চাষী কারখানার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে ত্রিশটি কারখানা উৎপাদিত চায়ের নমুনা নেওয়া প্রক্রিয়ায় ক্যাটাগরিজ করা হয়।
এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নৈতিক ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি চা কাটের মান বৃদ্ধির গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে। চা গবেষণা ইনিস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন পঞ্চগড়ের চা কারখানাগুলো গুনগত মানের দিক থেকে প্রগতিশীলভাবে এগিয়ে来ছে। তবে তিনি মনে করেন আরও উচ্চ মানের ৪ প্লাস ক্যাটাগরিতে চা উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের প্রয়োজন। শুধু চা প্রস্তুতির পরিমাণ বৃদ্ধি করলেই হবে না; চায়র গুনগত মান নিশ্চিত করলেই সকল মানুষ লাভের সম্ভাবনা থাকবে। এছাড়া বিদেশে রপ্তানি করে অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে চায়র মৌলিক গুণমাত্রা নিশ্চিত করা ব্যবহার করা উচিত, বলা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের চা শ্রমিক এবং কারখানা মালিকরা নতুন পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হcíল। পঞ্চগড়ের ফলাফলগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে চা উৎপাদন ক্ষেত্রটিকে আরও সুস্থ ও আধুনিক করার লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।