
১২৩ বছর বয়সী আব্বাস প্রামানিক মৃত্যুর বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি আলোচনা চলছে। নাটোরের গুরুদাসপুরে এই ব্যক্তির মৃত্যু পাওয়া গেছে। তিনি নৈতিক এবং শিক্ষাগত প্রতিষ্ঠানের একজন স্থানীয় নেতা ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথে তাঁর পরিবারের বেশ কিছু সদস্যও ভারসাম্য বিস্তার করেছে।
মৃত্যুকালে আব্বাস প্রামানিক নিঃশব্দ ছাড়া বেঁচে থাকা ছিল তাঁর দুটি মেয়ে এবং শেষ্ত্রে অসংখ্য সন্তান। তাঁর মায়ের ছেলে যোগেন্দ্রনগর গ্রামের দাদুরা, যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন, যখনও তাঁর দাদা শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন। তবে রবিবার সন্ধ্যা মানে ৭টার সময়েই তাঁর অবস্থা দ্রুত পতন পায়। তাঁর কথা বলার শক্তি হারানের সাথে সাথে তাঁর অবস्थা আরও কঠিন হলো।
প্রবীণ সেবাকেন্দ্রের খুবজিপুর ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষক আবু সাইদ সরকার বলেছেন যে, তিনি বেশ কালে এই সেবাকেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন। অসুস্থতার খবর পায়ে নেতে তাঁকে চিকিৎসক পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু আজকের সন্ধ্যা ৭টার সময়ে তিনি নিঃশ্বাস ছেড়ে মারা গেছেন। চিকিৎসার দায়িত্ব তাঁর দ্বারা নেওয়া হয় না, সবচেয়ে বেশি খারাপ পরিস্থিতি এই প্রশংসাজ্যের জন্য।
মৃত্যুর খবর শুনে স্থানীয় সাংবাদিক জুয়েল হোসেন ট Lipu তাঁকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেছেন। মরহুম আব্বাস প্রামানিকের জানাযার নামাজ কখনো না দেওয়া হয় না। মনে করা যায়, তিনি আজকের সন্ধ্যা ১০টার সময়ে দুর্গাপুর স্কুল মাঠে নামাজ দেওয়ার অনুষ্ঠানের পক্ষে নিবেদন করছেন।
বর্তমানে তাঁর উপাসকদের জন্য জানাযার অনুষ্ঠান প্রয়োজন। গুরুদাসপুর উপজেলার প্রবীণ এ ব্যক্তিকে কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ দেখিয়েছেন যে তিনি প্রবীণ একজন নিজস্ব ব্যক্তি ছিলেন এবং প্রবীণ প্রশাসন তাঁর শারীরিক খোঁজ খবর নিয়েছে। তিনি মৃত্যুর খবর শুনে অত্যন্ত কষ্টের অবস্থায় থাকেন।
এই সংবাদ সংবাদিকদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা গেল, একজন বছরের পর বছর ধরে বয়স্ক নেতার মৃত্যু বাংলাদেশের সামাজিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষণ হয়ে ওঠছে। তাঁর প্রার্থনা ও শ্রদ্ধাচ্য অর্পন করে আমরা তাঁর জীবনের স্মৃতি রাখতে পারি।