
# বেনাপোল কাস্টমসে আইআরএম শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার অভিযোগ — যুগম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার বিরুদ্ধে পরিষ্কারপণিত চিন্তা
বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে ঘটে যৌক্তিক ঘটনার পর কাস্টমসের আইআরএম শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আরমানের ঢাকা যায়ন্ত অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ উঠে এসেছে। ওই দপ্তরের যুগম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার বিরুদ্ধে এই অভিযোগে বিক্ষোভ ও দফায় দফায় বৈঠক চলছে।
ঘটনা সোমবার (১২ অক্টোবর) বেনাপোল কাস্টম হাউসের ইছামতি কনফারেন্স রুমে হয়েছিল। সাড়ে ৩টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার সময় কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমানের সঙ্গে আরও এবং এআরও সহকারীদের সেখানে মতামত তুলে ধরেন। বৈঠকের সময় ৪১ নম্বর শেডের ঘটনা ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনার বিষয়ে জানতে যুদ্ধ করেছিলেন প্রধান কর্মকর্তাদের দপ্তরে গিয়ে তাঁর কক্ষে তালা ও নেমপ্লেট পাওয়া যায়নি পাওয়ায় একই দপ্তরে কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগের মূল প্রশ्न হল কাস্টমসের সহকর্মীরা কার্যনীতি নিয়ন্ত্রণে চলেছили কিনা। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দফায় দফায় বিক্ষোভ করে এসেছিল কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে আপুত্রভাবে কোনো বড় কর্মসূচিতে কাজের ত্রুটির কথা কারো কেউ জানিয়েছেন না।
কাস্টমসের মিডিয়া মুখপাত্র রাহাত হোসেন জানান যে ঘটনার বিষয়ে যুগম কমিশনারের দপ্তরে গেলে তাঁর কক্ষের দরজায় তালা ঝুলতে দেখা যায় এবং নেমপ্লেটও পরিহিত নেই। এই ঘটনার পর যুগম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার কক্ষ থেকে বিক্ষোভী কর্মকর্তারা হালকা আঘাত করার মাধ্যমে সমস্যা তৈরি করেছিলেন। এর ফলে প্রায় চার ঘণ্টা পর্যন্ত কাস্টমস হাউসে আমদানি পণ্য ছাড়করণ ব্যাহত হয়েছিল। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এलে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে ফিরে যান।
ঘটনার দিন (বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে আমদানি করা পণ্য আনলোডের সময় ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পরিচিতভাবে ৪১ নম্বর শেডে রক্ষিত পণ্যের নিয়মাবলী ও মার্জিত চালানার কোনো সংক্রান্ত বিশ্লেষণ চলছে। বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন যে ৪১ নম্বর শেডের মধ্যে রক্ষিত পণ্যের সংক্রান্ত দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়ে এসেছে কি না তা নির্বীক্তভাবে তদারকি চলছে। তবে শেডে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে কি না তা বিষয়ে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
আইআরএম শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (আরও) আরমান সম্পর্কে বলেন যে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার ছিল বেনাপোল কাস্টম হাউসে আরমানের বদলিজনিত শেষ কার্যদিবস। তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন যে সেই দিনের পরবর্তী সকালে ঘটনা ঘটেছিল এবং কাস্টমসের কর্মকর্তারা তা জানার পর পণ্যের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনতে নেয়েছিলেন। যুগম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার কথা জানলে তিনি বলেছিলেন যে তিনি পরবর্তী কথা বলবেন এবং তখনই কাস্টমস হাউসে ত্যাগ করার জন্য গাড়িতে চলে গিয়েছিলেন।
ঘটনার দিন ঢাকার অদূরে দুই ট্রাক পণ্য আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ওই দুই ট্রাকের সাথে ৪১ নম্বর শেডে থাকা পণ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। আগের গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে আমদানি করা পণ্য আনলোডের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে কাস্টমস সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আইআরএম শাখার সহকারী আরমান যোগ্যতার প্রশ্নে জানলেন যে ঘটনার দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় যুগম কমিশনার শরফুদ্দিন মিয়ার কথা জানা গেছে যিনি অভিযোগের বিষয়ে বলেছিলেন যে তিনি “পরে কথা বলবেন” এবং তিনি কাস্টমস হাউসে ত্যাগ করেছিলেন। তাই তাদের দাবি এটি বলা যায় যে বিষয় নির্মলভাবে গবেষণা চলছে।
কাস্টমসের অভ্যন্তরে রাজস্ব আহরণ ও পণ্য খালাসে ব্যাঘাত ঘটছে কিনা না জানতে সহজে পদ্ধতিগত তদারকি চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে এআরও আরমান দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন কিনা এবং তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে কিনা—এই দুটি প্রশ্ন নিরপেক্ষভাবে পর্যবেক্ষণের অর্থ তা থাকে। একই সাথে, ৪১ নম্বর শেডে রক্ষিত পণ্যের নিয়মাবলী ও কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়ে এসেছে কিনা—এই বিষয়টিও তদারকি করার আওতায় আছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসা সম্ভব।
দেশের অন্যতম প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোলে কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ এমন ঘটনার প্রভাব কমাতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব না পড়াতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদারকি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই প্রশ্নের উত্তরে কাস্টমসের কর্মকর্তাদের আত্মবিশ্বাস দেখিয়ে যাওয়া দরকার, কারণ আইআরএম শাখার সহকারী আরমান তাঁরা অভিযোগ করেছেন যে তিনি “অবহেলা করেছেন”. তবে এটি নিশ্চিতভাবে বলা যেতে পারে না যে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে কিনা।
অভিযোগের প্রাকৃতিক পরিচয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে ऐसি ঘটনার পর পরিশীলিত এবং নিরপেক্ষ তদারকি অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নেই, কারণ সংস্থাগুলোকে অভিভাবক হিসেবে মনে হয়। তাই যুগম কমিশনারের সিদ্ধান্ত সূচনা এবং তদারকির দ্রুত প্রসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা অপরিহার্য।