
নেত্রকোনার চল্লিশা কেন্দ্রীয় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হামলা করার অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী দুজনোয়া আহত হয়ে গেছেন। স্থানীয় মসজিদের কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হামিদের বিরুদ্ধে এই হামলার পরিমাণে আহত হওয়ার রেকর্ড নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা গেছে।
ঘটনা বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে চল্লিশা বাজারের বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধের সময় ঘটিত। মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, আলেম‑ওলামা ও স্থানীয় বাসিন্দারা সড়কে বাজি বন্ধ করে, আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
মাদ্রাসা सूत्रে জানা গেছে, Jamalpur‑Chalisgaon কেন্দ্রীয় মসজিদে ফজর নামাজের পর নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও তালিমের কার্যক্রম চালু করা হয়। এই ধর্মীয় কার্যক্রমের সময়সূচি ও রুটিন নিয়ে আসবাবপত্রের সংঘটিত অবস্থানটি, হামলার ঘটনার পেছনে গড়ে গেলে মনে করা হচ্ছে।
মাদ্রাসার বড় হুজুর মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বিরোধী দলের কর্মক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করা হয়, তাদের রোদে মারধর করা হয়। সেই సమয় মাদ্রাসার আসবাবপত্র ভাঙচুর হয়েছে এবং পবিত্র কোরআন শরিফে ক্ষতি পিয়ে গেছে।
একটি সাক্ষীদর্শী তানভীর কহেছেন, ফজরের নামাজের পর মসজিদে নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম চলাকালীনভাবে চালু থাকলেও কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ এই কাজগুলো বাধা দিয়েছিল। মসজিদ কমিটি জানালেও সমাধান না হলে, তার ছেলে ও অন্যদের সঙ্গে শিক্ষক‑শিক্ষার্থী上에 হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আরেক সাক্ষীদর্শী মোহাম্মদ সাকিব বলেছেন, হামলার সময় আশপাশের লোকজনকেও মারধর করা হয়। তিনি অতিরিক্তভাবে পাশের একটি বাড়িতে প্রবেশ করে তার ভিতরে থাকা লোকজনের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে বলেছেন।
শিক্ষার্থী নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. গিয়াস উদ্দিন, যার মধ্যে তার ছেলা ও কয়েকজন আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা আছে।
বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হামলা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আক্রান্তের দ্রুত গ্রেপ্তা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আক্রান্তের গীতা চালানো হয়েছে, তবে আক্রান্ত আব্দুল হামিদ এখনো পাওয়া যায়নি। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ও ধর্মীয়‑শিক্ষা সংস্থানগুলো হামলার বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি প্রকাশ করেছেন।