
দিল্লিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বিক্ষোভে কিছু জননেতাকে ওঠা আটকের ঘটনাটি বর্তমানে বিরোধী দলগুলোকে প্রভাব পেতে আসছে। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ অনুমান করে বলছে যে দিল্লির বিভিন্ন স্থানে প্রায় একশন তরুণদের আটক করা হয়েছে। এই বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা এবং নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিবাদ। অংশের মধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) প্রধান নেহা বোরা এবং তার সঙ্গীরা দিল্লিতে আটক হন।
বিক্ষোভের সময় সংক্রান্ত স्थানগুলো মধ্যে কনট প্লেস এবং মান্ডি হাউস অন্তর্ভুক্ত। চালক পালন করা মিছিলের সময় তারা জাতীয় পতাকা ধরে ঢুকে প্রতিবাদ জানান। তবে বিক্ষোভকারীদের আটক হওয়ার কারণ ছিল ঐতিহাসিকভাবে জাতীয় পতাকা কর্মসূচির প্রেক্ষাপট এবং বিক্ষোভ সময়ে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ আয়োজনের বিষয়ে পুলিশের দাবি। পুলিশ বলেছে যে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘনের আশঙ্কা থাকার কারণেই নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল এবং তিরঙ্গা যাত্রার জন্য অনুমতি নেওয়া হয়নি।
বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভকারীরা বলেছেন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত নিশ্চিত হতে হবে। তৃতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন দুইই আটকের ঘটনাকে সমালোচনা করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে স্বাধীন ভারতে জাতীয় পতাকা হাতে শান্তিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রকাশের জন্য তরুণদের আটক করা একটি 'অঘোষিত জরুরি অবস্থা'। তারা দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌর্বক দাসের প্রতি সমর্থন জানেছেন।
আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালও এই ঘটনার সাথে সম্পর্কটি তুলে ধরেছেন। তিনি জাতীয় পতাকা ওড়ানো কি অপরাধ কি না, এই প্রশ্ন করেছেন। এক্সে প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে তিনি উল্লেখ করেছেন যে 'আমরা যদি নিজেদের দেশে জাতীয় পতাকা না ওড়াই, তাহলে কি পাকিস্তানে গিয়ে ওড়াব?' বর্ণনা করেছেন। একই সামयে বিজেপি দলের মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্য 'নৈরজন্য সৃষ্টি' বলে অভিহিত করেছেন।
পুলিশ দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে কনট প্লেস এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল এবং প্রস্তাবিত তিরঙ্গা যাত্রার জন্য নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের অনুমতি পাওয়া হয়নি। তবে জাতীয় পতাকা ওড়ানো বেআইনি নয়, এই দাবি নিয়ে পুলিশ আয়োজন করেছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন যে কনট প্লেসের সার্কেল থেকে কোনো আটক হওয়া নেই এবং তারা মিছিলের সুযোগ পান। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের এই মিছিলের সময় তারা তার সার্কেলের তিনবার প্রদক্ষিণ করেছেন। দাবি করা হয়েছে যে মেট্রো স্টেশন, বাজার এবং যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
অবশেষে, এই ঘটনা দিল্লিতে আয়োজিত নির্বাচন প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বিরোধী দলগুলোর সামলাগি করেছে। প্রতিবাদীগুলো শুধুমাত্র নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিবাদ নয়, বরং গণতন্ত্রের প্যাক্স বন্ধ করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করছে। প্রসঙ্গে বলা যায় যে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রশস্ততা এবং বিরোধী দলের প্রতিবাদে বিভিন্ন দলের পদ্ধতিগত পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।