
বনভাগের অভিযানে 8 কিলো থেকে আটক; অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধ মাছ ধরার অভিযান
সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন অভয়ারণ্য কেন্দ্রে আটকৃত আটজনকে বন বিভাগের কর্মীরা আটক করা হয়েছে। তাদের ও দু’টি ডিঙ্গি নৌকায় প্রায় ২৫ কেজি সাদা মাছ জব্দ করা হয়েছিল, যা আজও সাবেক নোটাবেকী কর্মকর্তা আবদুস সালাম ও স্টাফ রায়মঙ্গল নদীর বাওন এলাকায়seen। আটকৃতদের নাম ও বয়স: মোঃ জাহিদ হাসান (৪২), মোঃ মফিজুল গাজী (২৮), মোঃ. রবিউল ইসলাম (৪৫), মোঃ ইছা সরদার (৩৫), মোঃ রিজাউল গাজী (৪৫), মোঃ রইবুল ইসলাম (৩২), মোঃ নাহিদ হাসান (২৮) ও মোঃ কওছার গাজী (৩৯)। এই افرادের বাড়ি সবাই শ্যামনগর উপজেলার পূর্বকৈখালী গ্রামে অবস্থিত, এবং তারা আজ সোপর্দভাবে আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে, বলেন বনভাগ।
বনভাগের মতে, অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজে জড়িত হওয়া এই অভিযানে জড়িত, যা গোপন সংবেদনশীল তথ্যগুলির ভিত্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেছেন, “এই এলাকায় মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, এবং অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযান চলমান।” তিনি সংকটে অভয়ারণ্যের জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য কঠোর অবস্থা বজায় রাখতে হবে বলে জোর দিলেন।
পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শাহিনুর ইসলাম মতে, সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকাগুলো মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকায় অবৈধ মাছ ধরা হলে মাছের জনসংখ্যা ও সমগ্র জলবায়ুপরিচালন উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে, যা পরিবেশের ভারসাম্য বिगाड़তে পারে। তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, “এই ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, এবং অভয়ারণ্য আইন ভঙ্গ করার অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”