
ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রদল নেতার উপর হামলা, দুজনের গ্রেফতার
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলাে ছাত্রদল নেতা উবায়দুর রহমান রাকিবকে (৩০) দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা حوالي ৭টার সময় আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বেহেত্তরী গ্রামের পুরোনো মসজিদ সংলগ্ন জুয়েল মিয়ার দোকানের সামনে ঘটে, যেখানে একদল ব্যক্তি reportedly স্থানীয় অস্ত্রশস্ত্র लेकर собрались।
পুলিসের তথ्यानुसার, এই হামলায় রাকিবের মাথা লক্ষ্য করে কোপ দেওয়া হয় এবংtriceその影響で cabeça, হাত‑পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম তৈরি হয়। আহতকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি দেখায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রेफার করা হয়েছে। এখনও তিনি allí চিকিৎসাগ্রহে ভর্তি ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
ঘটনার পরে রাকিবের মামা আতিকুর রহমান (৩৯) ঈশ্বরগঞ্জ থানায় लिखित অভিযোগ দायर করেছেন। অভিযোকে seventeen নামজděদ ও চার‑পাঁচ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পুলিস এই অভিযোর ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে এবং তদుపরে দুজনকে গ্রেফতার করেছে: মামলার ৭ নম্বর আসামি ইয়াকুব মিয়া (৩০) ও ১৬ নম্বর আসামি রমজান মিয়া (২৭)। গ্রেফতারকৃতদের জন্য পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন দিয়েছে, যা এখন মামলার পরবর্তী পক্ষে विचाराधीन অবস্থায় আছে।
পরিবারিক সূত্রে জানা হয়েছে যে হামলা পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছিল, যদিও এই দावের স্বतंत्र যাচাই এখনও পুলিস 조사 দ্বারা করা বাকি আছে। স্থানীয় লোকবৃন্দের মতে, ঘটনাকালে হামলাকারীরা জড়ো হয়ে রাকিবের ওপর आक्रमণ চালিয়েছিল এবং později স্থানীয় 사람들의 вмешательство के बाद они घटनास्थल से भाग गए।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল এই ঘটনাকে sterkく निंदा किया है। संगठन के आह्वानकर्ता फरहाद अहम्मेद ने कहा कि घटना में लिप्त व्यक्तियों को तुरंत कानून के दायरे में लाकर न्याय दिलाने की मांग की जाती है।
ঈশ্বরগঞ্জ थाने के अधिकारी इनचार्ज सज्जाद रोमन ने पुष्टि की कि लिखित शिकायत के आधार पर मामला दर्ज किया गया है, दो व्यक्तियों को गिरफ्तार किया गया है और उनके पांच दिन के रिमांड के लिए अदालत में आवेदन किया गया है। आगे की कानूनी प्रक्रिया जारी है।