
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি)র একটি বক্তব্যে জ্বালানি অবকাঠামোর সম্ভাব্য হামলার tegenে দুই হুমকি দেয়া হয়েছে। প্রথমত, ইসরায়েলের অধিকৃত ভূখণ্ডকে চিরতরে ‘জ্বলন্ত ভূমি’ পরিণত করার威脅, আর দ্বিতীয়তরা সিনাই উপদ্বীপে হামলার ধঙুধ। এই বক্তব্য প্রকাশ করলেন আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বির বরATE রোববার (১৮ অক্টোবর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ ইংলিশের মাধ্যমে xãয় সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে। তিনি বলেন যে, ইránের জ্বালানি অবকাঠামোয় যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে অধিকৃত ভূখণ্ডকে অব indefinite ‘জ্বলন্ত ভূমি’ বনামোদন হবে এবং সেখানকার দখলদারদের সিনাই উপদ্বীপে হামলার শিকার হতে হবে। তবে এই বক্তব্যে ইসরায়েলের কী নির্দিষ্ট স্থাপনাকে হামলার লক্ষ্য করা হবে বা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত হবে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
সংঘাটের পরিস্থিতি বাড়ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত থেকেíbhাজ Bengali, ইrán ও তার মিত্র গোষ্ঠীতে অন্তত ১৩৫টির অন্তত ড্রোন ও ক্ষেপণasted হামলা চালিয়ে ৮৪টির অন্তত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়েছে। এই হামলার লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা, কাতারের রাস লাফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কমপ্লেক্স এবং সৌদি আরবের পাইপলাইন অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই সংঘাটের ফলে বিশ্ব জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন প্রভাবিত হচ্ছে।
বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালির নৌপরিবহন ওপরও বিচার চলছে। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই রুটের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। তাই এই প্রণালিতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালinai সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত Associated Pressের প্রতিবেদনেও হরমুজ প্রণালির আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা এবং নৌ চলাচল সীমিত করার ইránি প্রচেষ্টার বিষয়ে উদ্বেগ জাহির করা হয়েছে।
দूसरी तरफ, ইránের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি বলেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তিনি ভবিষ্যতে অস্ত্র তৎক্ষণিক কারখানাগুলো আরও সুরক্ষিত স্থানে, পাহাড়ি এলাকায় স্থাপনের পরিকল্পনাও জানান। এর আগে রয়টার্সের ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে likewise তথ্য উত্পন্ন হয়েছিল।
ইránের জ্বালানি অবকাঠামোয় সম্ভাব্য হামলার জবাবে আইআরজিসির এই সর্বশেষ হুমকি মধ্যপ্রাচলের চলমান সংঘাতে নতুন উত্তেজনা জড়িত হয়েছে। তবে ঘোষিত হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ কী হবে, এখনো স্পষ্ট নয়।