
রাজধানীর মিরপুর ও গেণ্ডারিয়া এলাকায় ঘটিত পৃথক দুটি ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের দুজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর রাজনৈতিক ও সামাজিক স্তরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একপক্ষ থেকে পদত্যাগের দাবি উঠেছে, অন্যপক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া চালানোর আহ্বান দিয়েছে।
মিরপুরে গতদিন একটি বেসরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় স্থানীয় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংলিপ্ততার অভিযোগ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা দাবি করছেন, সাংসদ মহোদয়ার নির্দেশে ও তাঁর পক্ষের মানুষই কেন্দ্রটি ভাঙছিল। অন্যদিকে, সাংসদ ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অবৈধভাবে স্থাপিত ছিল এবং প্রশাসনিক নির্দেশে তা সরানো হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রায় একই সময়ে পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকায় একটি ভিডিও সামনে এসে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কিছু লোককে ধাওয়া করছেন। ঘটনার পেছনের কারণ ও পরিপ্রেক্ষিত এখনও সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট নয়। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বিষয়টি সম্পর্কে এখনো কোনো 공식 মন্তব্য করেননি। পুলিশ ভিডিওটির সততা যাচাই এবং ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
দুইটি স্বতন্ত্র ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের দুজন জনপ্রতিনিধির নাম জড়িয়ে অভিযোগ উঠার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও граждан সমাজ থেকে প্রতিক্রিয়া আসছে। বিএনপি সহ বিরোধী দলগুলো ন্যায় ও যথার্থ তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগের দাবি করছে। সत्तারուৢ আওয়ামী লীগের নেতারা বিষয়টি আইনের মুখোমুখি করার কথা বলছেন, যদিও দলের আতঃসাংগঠনিক স্তরে দুটি ঘটনায় চিন্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
আইনজীবীরা মনে করেন, এই রকম অভিযোগে পদত্যাগই একমাত্র সমাধান নয়, বরং স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যাবিষয় উদ্ঘাটন করা জরুরি। তারা বলেন, জনপ্রতিনিধি হলে তার দায়িত্ব ও जवাবদিহিতা বেশি, তাই অভিযোগ সাবিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশাসন ও পুলিশ দুটি ঘটনার আলোকে আলাদা আলাদা মামলা দিয়ে তদন্ত করছে। কোনো পক্ষ থেকে এখনো официয়ালি কোনো মামলা দায়র করা হয়নি। ঘটনাগুলোর সঠিক তথ্য ও আইনি ফলাফল জানতে প্রেক্ষকদের কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।