
১১ বছর বয়সী এক শিশুকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই ঘরে থাকাকালীন সময় তার জীবনের মতো ছিল বিনাশ্রয়। অভিযোগ রয়েছে যে, তার ওপর গভীর নির্যাতন করা হয়েছিল। গরম লোহার খুন্তি দিয়ে শরীরে ছ্যাঁকা দেওয়ানো হয়েছিল, বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারধর করা হয়েছিল, চোখে মরিচের গুঁড়া দেওয়া হয়েছিল। একই সাথে দিনের পর দিন বাথরুমে আটকে রেখে খাবার না দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া পানিতে দীর্ঘ সময় থাকায় পায়ে পচন ধরেছিল।
এই নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা-মায়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে এখনও অভিযোগগুলো আইনি ভেরিফিকেশন পায়নি। ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ঘরে। তবে তিনি এ অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেও এখনও তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
শিশুটি এখন সুরক্ষিত স্থানে রায়িস্ট সহায়তা পাচ্ছে। তবে তার আরোহণীয় অবস্থা মেনে নেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো ঘটনাটি তীব্রভাবে নিয়ে আছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার গতি ধীর হওয়ায় শিক্ষার্থী ও তার পরিবার আশাহান অবস্থায় রয়েছে।