
বান্দরবানের লামা সদর ইউনিয়নের লেঙ্গাঘোনা এলাকায় বসবাসকারী এক কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, চকরিয়ার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া আদালতের তদন্ত প্রতিবেদনের পর পরিবারটির বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছে। এই ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে কৃষক মোঃ আলমগীরের ছেলে মোঃ জাহিদ স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা কামনা করেছেন।
মোঃ জাহিদ লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, তার বাবা মোঃ আলমগীর বান্দরবানের লামা সদর ইউনিয়নের লেঙ্গাঘোনা স্থায়ী বাসিন্দা। ১৯৭৯-৮০ ইং সালে তার দাদী মনেজা বেগম ২৯৫নং লামা মৌজায় আর/০৮নং হোল্ডিং মূলে ৫ একর জমি বন্দোবস্তি পান। বন্দোবস্তির পর পরিবারটি ওই জমিতে বাগান সৃজন সহ বসতঘর নির্মাণ করে নিষ্কণ্ঠকভাবে ভোগ করে আসছে। বার্ধক্যজনিত কারণে দাদীর মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে বাবা মোঃ আলমগীর ভোগদখলে আছেন।
হঠা করে পাশর্বর্তী চকরিয়ার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়ার চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া পরিবারটির ৪৫ বছরের ভোগদখলীয় জায়গা দাবী করে বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আদালতে ভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা করেন (মামলা নং- ১৬/২০২৬)। মামলাটি সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) লামাকে দায়িত্ব দেন বিজ্ঞ আদালত। ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তের সময় মৌজার হেডম্যান, স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বাদী বিবাদী উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদন চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়ার পক্ষে না যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ২০ অক্টোবর তিনি আমার পিতা মোঃ আলমগীর ও সার্ভেয়ার আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে বিভ্রান্তির চেষ্টা করে। মূলত আমাদের জায়গা দখল করতে না পেরে চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া আমাদেরকে নানাভাবে হয়রানী ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করেছেন মোঃ জাহিদ।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ কাইসার হামিদ বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভূমি বিষয়ে সিদ্ধান্ত আদালত দিবে। তবে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সচেষ্ট আছি।