
দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। আগের দাম ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। অর্থাৎ, দাম কমেছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। নতুন এই দাম কার্যকর হবে আজ (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমেছে, ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
এছাড়াও রুপার দাম কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, যা আগের চেয়ে ১৭৫ টাকা কম। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
বছরটায় এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ১২৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৪ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফায় ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত বছর ২০২৩ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল আর ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
রুপার দাম নিয়ে এখন পর্যন্ত ৭৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে আর ৪০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৩ সালে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল আর মাত্র ৩ বার কমেছিল।