
ব্যক্তি যখন মনে করে যে কোনো মানুষ সত্যি বা মিথ্যা কথা বলছে, তখন সে কি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষণ বা আচরণের উপর ভিত্তি করে সত্যোপরি নিশ্চিত হতে পারে? প্রশ্নের এই নিত্য ভাবনা বর্তমানে নেশ্রীয় গবেষণার মাঝে আলোচিত আছি। অনেক সময় কেউ মিথ্যা বলার সময় অস্থির হয়ে পড়েন, আরেকবার সে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারে। তাই শুধু চোখের দিকে তাকিয়ে, শব্দের টোন বা শরীরি ভাষা পর্যবেক্ষণ করে কেউ কেউকে মিথ্যাবাদী বলে দিতে পারে, তবে এই পদ্ধতি কোনো নিশ্চয় সত্যোপরি দিকনির্দেশনা প্রদান করে না।
অধ্যয়নগুলো অনুযায়ী, মিথ্যা বলার জন্য কোনো একমাত্র, স্বীকার সূত্র বা চিহ্নে কোনো স্বীকার দিকনির্দেশনা নেই। কিছু গবেষণাকারি চোখের সংযোগ, অপ্রত্যক্ষ ফেস বুঝতে পারা বা হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি ইত্যাদি দিকনির্দেশনা হিসেবে উল্লেখ করে, তবে এগুলো কোনো পূর্ণাঙ্গ নিশ্চয়তা নেও নেই। অন্যদের দিকে, অনেক সময় ব্যক্তির কথার টোন, বাক্য গঠন, বা মুখের মুভমেন্টের মাঝে ভুল ধারণা পাওয়া যায়, যা সত্যি বা মিথ্যে গুলিকে ভেদে দিতে পারে।
এই কারণে, “মিথ্যা বলার সময়” সে সম্পর্কে কোনো দৃঢ় দাবি করা যায় না; এটি কেবল কেউ মনে করে যে কেউ সত্যি বা মিথ্যা কথা বলছে, যা এখনও একটি অনুমান বা অনুমোদিত দাবি হিসেবে বজায় আছে।