
ইসলামী মহলে আবার এক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি ও ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হিসেবে এত বড় মসজিদের খতিব শিরক করবে এটা মানা যায় না—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এর পেছনে না কেন, কোন মসজিদের খতিব নই, বায়তুল মোকাররমের খতিব নই, আর আবু জাহেল ছিলেন কাবা শরিফের সভাপতি।
তিনি সম্প্রতি নীলফামারীর পৌর মসজিদে এক ওয়াজ মাহফিলের এ বক্তব্য ‘জনি ইসলামিক টিভি’ নামের একটি ইউটিউবে প্রচার করে বলেন। তিনি বলেন, কাবা শরিফের এক ওয়াক্ত নামাজ পড়লে লক্ষ রাকায়াতের নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়, সেই মসজিদের সভাপতি ছিলেন আবু জাহেল। এখন অনেকে নীলফামারীর পৌর মসজিদের সভাপতি হয়ে বগল বাজাচ্ছে, আমার জান্নাত কেউ ঠেকাতে পারবে না—এই বক্তব্য তিনি করেছেন।
ঈমান আনা লাগবে শিরক মুক্ত, আর যারা তাদের জ্ঞান অনুযায়ী কাজ করতে পারবে, তবে অনেকের জ্ঞান আছে জ্ঞান অনুযায়ী কাজ করে না, বাতিলের পা চাটা গোলামী করে। তার সম্মান জীবনেও বাড়বে না। হয়তো তার গোন্ডির ভিতরে বাড়তে পারে কিন্তু সর্বজনবিদিত, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মতো, খতিব ওবায়দুল হকের মতো সারাবিশ্বের মধ্যে আপনার মর্যাদা বাড়বে না। কারণ আপনার জ্ঞান অনুযায়ী আমল নেই, আপনি বাতিলের পা চাটা গোলামী করেন।