
উখিয়া, কক্সবাজার। মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষার নলবনিয়া রুটে যাবা চালানোর পেছনে দুটি সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে বিরোধ পড়তে পড়েছে। এই বিরোধের ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কময় পরিস্থিতিতে জড়িত হয়ে গেছে। ঘটনায় যাবা চালান লুটের অভিযোগ, যুবদল নেতাকে জিম্মি করে নির্যাতন এবং সাবেক ইউপি সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর múltiples ঘটনা উঠেছে। স্থানীয়দের মुतাবিক, এই সব ঘটনায় যাবা মাদক তরপেরার চক্রের সদস্যরা জড়িত রয়েছে, তবে পুলিশ ও প্রশাসন তদন্তongoing বলে জানিয়েছে।
গত ২৪ অক্টোবর সকালেplaced Yaba চড়ালা সীমান্তে থেকে Bangladeshে প্রবেশ করল। এটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল নলবনিয়ার পাঁচজনের একটি সিন্ডিকেটকে। তবে মাঝপথে চালানটি কৌশলে সরিয়ে নেয়া হয় এবং তারপর আত্মসাত করা হয়। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই চালানটিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদক কারবারির নেতৃত্বে আমিনের গ্রুপ থেকে উত্থাপন করা হয়েছিল, তবে এরপর সেটি কীভাবে লুটে গেল এবং কারা লুটের দায়ী, এখনো পরিষ্কার নয়। অন্যদিকে, অন্য পক্ষের অভিযোগ হলো, তাদের যাবা আtona victim করা হয়েছে।
গত ১৩ অক্টোবর রাতে পালংখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মোহাম্মদ আমিনকে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীুদের অভিযোগ, একদল সশস্ত্র ব্যক্তি গভীর রাতে আমিনের বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে নিয়ে যায়, পরে রাতভর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এই ঘটনায় একটি পা মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় ਵੀ যাবা চালান লুটের অভিযুক্ত চক্রের সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর পালংখালী উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে সাবেক ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। স্থানীুদের মुतাবিক, এই হামলার সঙ্গে যাবা চালান লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত চক্রের সদস্যরা জড়িত ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের লোকজনকে অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা গেছে। এই অস্ত্রের মহড়া শুধু দুই পক্ষের বিরোধের প্রকাশ নয়, বরং পুরো এলাকার নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। এর ফলে স্থানীুক লোকসুরক্ষার প্রতি আশঙ্কা গভীর হয়েছে। কে কোন পক্ষের লোক, কার সঙ্গে কার বিরোধ, এ বিবেচনায় অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন।
স্থানীুক সূত্রের দাবি, মাদক কারবারিদের একটি পক্ষের সঙ্গে অন্য পক্ষের বিরোধ তৈরি হলে তা মেটানোর চেষ্টা হয় অস্ত্রের মাধ্যমে। কখনো চালান লুট, কখনো প্রতিশোধমূলক হামলা, আবার কখনো প্রতিপক্ষকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তের নিরাপত্তায় বিচ্ছিন্নতা বাড়ে বলে বাসিন্দারা উদ্বিগ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি খতিয়ে ধরে তদন্ত জारी থাকছে। মাদক প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া, যাবা চালানটির উৎস, গতিপথ, পরিবহনব্যবস্থা এবং মাঝপথে ঘটে এমন আত্মসাতের সাথে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি স্থানীুক বাসিন্দারা জানিয়েছেন। অভিযুক্ত ছৈয়দুল বশর ও আরিফ প্রকাশ আব্বুইয়্যাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে একাধবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি।