
গাজীপুরে নিম্নমাত্রা বেতন বাড়ানোর দাবিতে কর্মচারীদের বিক্ষোভ শনিবার সকাল থেকে ধ্বংসকর্য বিন্যাসে উঠল। ঢাকা‑টাঙ্গাইল মহাসড়ক যান চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে সড়ক যাত্রীরা সুবিধা হারোয়া।
শনিবার সকালে কালিয়াকৈরের সফিপুর বাজার, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ, মৌচাক ও তেলিচালা অঞ্চলে কর্মশক্তি সড়ক রেখে বিক্ষোভ শুরু করল। তারা “ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা” gibi স্লগান শোত করে বাজি দৌরি।
গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূইয়া ও কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে কর্মশক্তি মহাসড়কে অবস্থান রেখে যান চলাচল বন্ধ রাখল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাঁচ প্লাটুন Bangladesh Ansar (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন তোলা হয়েছে। প্রশাসকের মতে, লক্ষ্যদর্শী সংখ্যকে যোগ দিতে হ্যাঁ, তবে বর্তমানে পাঁচটি প্লাটুন দিয়ে কাজ চলছে।
কর্মশক্তির উৎসড়ে জানা গেছে, পোশাক কারখানার শ্রমিকরা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করছেন। শনিবার রাত 8 টায় পর্যন্ত সফিপুর বাজারের চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ ও আনসার একাডেমির ৩ নম্বর ফটক এলাকায় বন্ধে রাখা হয়ে গেছে। পুলিশ কাঁদা গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিয়া ব্যবহার করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে, তারপর পাঁচ ঘণ্টা পর মহাসড়ক স্বাভাবিক হয়।
সকালে করনী নিট কম্পোজিট ও নিট এশিয়া কারখানার শ্রমিকরা কাজে বাধা দিতে সফিপুর বাজারে অবস্থান নেয়। এই বিক্ষোভের কারণে আশপাশের কয়েকটি কারখানা ছুটি ঘোষণা করল।
দু’ই শত শত শ্রমিক লাঠিয়া হাতে ধরে মহাসড়ক বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়, ফলে ঢাকা‑টাঙ্গাইল মহাসড়ক সম্পূর্ণভাবে বন্ধ।
কোনাবাড়ী এলাকার একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগল। পুলিশ বক্সের ভিতর থেকে নৈকত ও অন্যান্য সামগ্রী বের করে আগুন দিয়ে ফেলেয় হয়, যা কালিয়াকৈর থানার ওসি ইফতেখার হোসেন দ্বারা যাচাই করা হয়।
এই ঘটনায় নিরাপত্তা বাধা, সড়ক বন্ধ, এবং পুলিশ বক্সে আগুনের মতো সমস্যা ভবিষ্যৎে প্রভাব ফেলতে পারে, যা নিরাপত্তা এবং আর্থিক কার্যকারিতা দু’পক্ষে প্রভাব ফেলেয়।