
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও শ্রমিক আন্দোলন ও শিল্পাঞ্চলের অস্থিরতা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অতীতে শ্রমিক আন্দোলন বা শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার পেছনে বিএনপি-জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা খোঁজা হতো। সরকার বদলের পর এখন একই ধরনের পরিস্থিতিতে সামনে আসছে দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নাম। রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত পক্ষের পরিচয় পরিবর্তন হলেও, শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশলে কতটা পরিবর্তন এসেছে তা এখনো অনিশ্চিত।
ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের প্রতি আইন রক্ষাকারীদের আচরণ এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শ্রমিকদের আর্থিক ও সামাজিক অধিকার নিয়ে করা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যদি পুলিশের তাড়াহাড়ি বা বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটে, তাহলে তা শ্রমিক অসন্তোষকে আরও তীব্র করতে পারে। সংবাদ মাধ্যমগুলো এই বিষয়ে নিয়মিত ঘটনাগুলো তুলে ধরে আসছে, কিন্তু রাজনৈতিক অভিযোগের লক্ষ্য পরিবর্তনের পরও পেশাগত পদ্ধতিতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে কি না, তা প্রকাশ্যে আসেনি। শ্রমিক আন্দোলন দমনে পুরোনো পথেই পুলিশের অবস্থান নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে সংবাদদাতাদের কাছে।