
ময়মনসিংঘের ঈশ্বরগঞ্জে মাদক, ক্যাসিনো ও গরু চুরি প্রতিরোধসহ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিট পুলিশিং ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক পরিচালনা একেএম আতিকুর রাজ্জাক ভুঁইয়া হীরার সভাপতিত্বে হয় এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভুঁইয়া মনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেননি? না, দেন। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম হান্নানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান চলে।
আমিরুল ইসলাম ভুঁইয়া মনি বলেন, অপরাধ, মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড দূর করতে রাজনৈতিক নেতাকেয়সহ সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আইন রক্ষায় পুলিশের সহযোগনা প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব। সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম হান্নানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেননি? না, তিনি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং বক্তৃতা দেন। এর মধ্যে উপজেলা বিএনপির সদস্য আবুল কালাম ভুঁইয়া, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ রোমন, জামিয়া গাফুরিয়া দারুসসুন্নাহ ইসলামপুর মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মাহমুদুল হক আজিজিসহ বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
ওসি সাজ্জাদ রোমন বলেন, ঈশ্বরগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই মাদক, ক্যাসিনো ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কাজ করছেন। বিশেষ করে মাইজবাগ এলাকায় ক্যাসিনো, মাদক ও গরু চুরির প্রবণতা উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে মাদক কারবারিদের নির্মূলে কঠোর অভিযান চালানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সীমিতসংখ্যক পুলিশ সদস্য দিয়ে বিপুল জনগোষ্ঠীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন। তাই অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। তথ্যদাতার পরিচৈ সম্পূর্ণ গোপন রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সাধারণ মানুষই পুলিশের সবচেয় বড় সহযোগী। পাশাপাশি গরু চুরি প্রতিরোধে গোয়ালঘরের দরজা মজবুত করা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরামর্শ দেন তিনি।
উঠান বৈঠকে এলাকার মাদক, চুরি ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ-জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।