
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করতে নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার সংস্থার офиসিয়াল ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, লাইসেন্স পেতে আবেদনকারীদের দুটি ধাপের প্রক্রিয়া পূরণ করতে হবে। প্রথম ধাপে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা লাগবে। তারপর নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে।
**আবেদনের পদ্ধতি ও কাগজপত্র**
সব ধরনের আবেদন বিআরটিএর অনলাইন সেবা পোর্টাল (বিএসপি) এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। আবেদনকারীকে প্রথমে পোর্টালে একাউন্ট খুলতে হবে। শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদনের সময় চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ অনলাইনে আপলোড করতে হবে।
ফি সংক্রান্তে বিআরটিএ জানিয়েছে, এক ক্যাটাগরির লার্নার লাইসেন্সের ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা নির্ধারিত। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে।
**চূড়ান্ত লাইসেন্সের শর্তাবলী**
শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তিনটি পরীক্ষা (লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক) পাস করলে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদনযোগ্য হয়ে ওঠেন।
চূড়ান্ত লাইসেন্সের ফি দুটি ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত: অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৮৩২ টাকা। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের ডোপ টেস্টের সনদ জমা দিতে হবে। সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্ত করবেন।