
কুমিল্লায় তিন প্রবীণ আলেমকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেছেন, বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সিপাহি-জনতা ও সর্বস্তরের মানুষ এক ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুক্ত করে এনেছিল। দেশের মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও আবেগ ধারণ করে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি দেশে ঐক্য, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
গত ৮ নভেম্বর রবিবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন এবং গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ইউসুফ মোল্লা টিপু এসব কথা বলেন। জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম, কুমিল্লার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও মুফতি নাইমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কুমিল্লার তিন প্রবীণ আলেমকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এতে মৃত আল্লামা নুরুল হকের পক্ষে তার ছেলে মাওলানা হামিদ উল্লাহ মরণোত্তর সংবর্ধনা গ্রহণ করেন। এছাড়াও সরাসরি সংবর্ধনা গ্রহণ করেন কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুমের মুহতামিম আল্লামা আব্দুর রাজ্জাক কাসেমী এবং যশপুর মাদ্রাসার সাবেক মুহতামিম আল্লামা আলী আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন টাউনহলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর সাজ্জাদ। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত পরিবেশন এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।