কবিতা || ধন্যবাদ || লেখকঃ (( মমোশাদ হোসেন )) ধন্যবাদ হে বিরাঙ্গনা। ধন্যবাদ হে সতী। ধন্যবাদ হে বিদ্রহি নারী। ধন্যবাদ হে পর্দাবতী। তুমি দেখালে সাহসের সাথে মাথা উঁচু করে চলতে।
বিজয়ের মান =======লেখক || মমোশাদ হোসেন || স্বাধিনতার অর্ধশত দেশ করছে পূর্ণ। এই বিজয়ের মান কি আমরা রেখেছি অক্ষুর্ণ। অন্যায়-আত্যাচারে আজও সবাই বঞ্চিত। ৩০ লক্ষ শহিদ প্রান দিয়েছে টনক নরেনি
জানিনা এই অবুজ হৃদয় কার অপেক্ষাই আছে জানিনা এই সরল মনে কার জায়গা হবে. শুধু জানি হৃদয়ের ঘরে যাকে রাখব. সারা জীবন তাকেই ভালবাসবো ! যদি কখনও কাউকে হারিয়ে
খাদিজা আক্তার রউজা ——————————— যখন সাফল্য আসে, তখন যন্ত্রণাকে আর যন্ত্রনা মনে হয় না।একজনের ব্যর্থতাই অন্যের সফলতার সোপান। আশা একটি জীবন্ত স্বপ্ন”তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক)
একলা উদাস মন ——————- বন্ধ ঘরের অন্ধকারে থাকবো কেমন করে চলে গেলে প্রানও প্রিয় আমায় একা করে।। তুমি ছাড়া দিশেহারা একলা উদাস মন কেমন করে কাটাইবো আমার সারাটা জীবন।। তুমি
অহনা নাসরিন ———— চাঁদের মতো নারীরও কিছু দুঃখ থাকে; বেশ পরিপুষ্ট রোজ দু’বেলা আহার করে, নিয়ম করে স্নানে যায় এবেলার দুঃখগুলো এলোপাতাড়ি হাত-পা ছুঁড়ে আর ওবেলার দুঃখগুলো পাহাড়ের মতো অটল
আমার একটা তুই চাই, ভয়ঙ্কর ভাবে তোকে চাই এতে দু’জনে কোনো দ্বিমত নাই, প্রার্থনায় যুগল হাতে বন্দী হতে চাই। চিন্তা-ভাবনায়, মনের যাতনায় চেতনে-মননে সবখানে দু’জনে যুগলপথে হাঁটতে চাই। এমন দুঃখ-যাতনা,
আজকাল চুপচাপ থাকি, ভয়ে থাকি কিছুটা আতংকে লিখতে গেলে কলমকে বলি সাবধানে যাই না মিছিলে, থাকি না শ্লোগানে, সমাবেশেও যাই না পত্রিকার পাতায় ধর্ষণ, খুন আর দূর্ঘটনার সংবাদ পড়ে ভয়ে
একটি মৃত্যু অতঃপর কিছু প্রশ্ন কলমেঃ অহনা নাসরিন ———————————- আমি জানতে চাইবো না, তুমি কেন কারাগারে ছিলে? আমি এটাও জানতে চাইবো না তুমি কেন মরে গেলে? আমি শুধু তোমার
হলুদ শাড়ি ————–পলাশ ফুটেছে শিমুল ফুটেছে ওই দেখো ডাকে কৃষ্ণচূড়া ফাগুনের বনে আগুন লেগেছে কেমন আছো সখা? কথা ছিলো আসবে পহেলা ফাল্গুনে আনবে হলুদ শাড়ি আর আনবে লাল বেলুয়াড়ি চূড়ি