খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

বুকের ভেতর আগলে রেখেছিলাম তোরে, ফুলের টোকাও লাগতে দিইনি মা

চট্টগ্রামে এক তরুণীর অকালমৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, অ্যাম্বুলেন্সে করে মেয়েটির মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় বাবা তেজেন্দ্র দাশ ও মা আলোক বালা দাশের কান্নায় পরিবেশ ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

সংবাদে জানা যায়, মেয়ে মারা যাওয়ার সময় বাবা অ্যাম্বুলেন্সের জানালা দিয়ে মেয়ের মুখের দিকে তাকাচ্ছিলেন এবং স্বজনদের জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলেন। মায়েরও কান্না থামছিল না। তারা যে গভীর শোকের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তা তাদের মুখচোখ দেখেই বোঝা যায়।

পরিবারের দাবি, বাবা তেজেন্দ্র দাশ জানান যে তিনি যদিও দরিদ্র, তবুও তিনি মেয়েকে সোনার গয়নায় সাজিয়ে রেখেছিলেন এবং কখনো তাকে ফুলের টোকান পরতে দেননি। তিনি বলেন, “আমি গরিব হলে কী হবে, তোকে তো সোনা দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছি। কোনো দিন ফুলের টোকাও লাগতে দিইনি। বুকের ভেতর আগলে রেখেছিলাম।” বাবার এই বক্তব্যকে পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েকে অত্যন্ত ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

মেয়েটির মৃত্যুর কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি মরদেহ, তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকে এই মৃত্যুকে একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেছেন যে মেয়েটিকে কষ্ট দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা অভিযোগপত্র এখনো দেয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে শোকসন্তপ্ত অবস্থায় আছেন এবং পুলিশের তদন্তের জন্য অপেক্ষা করছেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT