
তাজমিন হত্যার সন্দেহভাজন অটোরিকশাচালক চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার
গোয়েন্দা পুলিশের আধুনিক তথ্য অনুযায়ী, লালমাই উপজেলার জগতপুরে ১৪ বছরের শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন সিএনজি চালিত অটোরিকশাচালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে কুমিল্লায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনোয়াই করা হয়। গ্রেপ্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান।
সুমনের আগত মোবাইল ফোন বা কোনো ডিজিটাল ডিভাইস নেই, আর আঙুলের ছাপযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রও লালে থাকার কারণে সে কে সঠিকভাবে পরিচয় করা ও গ্রেপ্তা করার সময় সক্ষম সময় লাগল। পুলিশের মতে, সে চট্টগ্রাম থেকে আটক করা হয় এবং তারপর কুমিল্লায় আনোয়াই করা হয়।
তাজমিনের মৃত্যুর পরিকল্পনা ও তার হত্যার ঘটনার মধ্যে সুমনের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা এখনও সম্ভব নয়। পুলিশ তদন্তে সে কি হত্যার সাজাতে সীমাবদ্ধ ছিল না, কি না, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তৎক্ষণাত সে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
পুলিশের মতে, ঘটনার পর থেকে সুমন আটক থাকছিল, তারপর ৪ অক্টোবর সকালে বান্ধবীর বাসের বাসা থেকে বের হয়েছিল তারপর ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ১৯ মিনিটে কুমিল্লার হোটেল নূরজাহানের সামনে সে দেখা যায়। তারপর রাত ২টা ৫৮ মিনিটে তার বাবার হোয়াটসঅ্যাপে লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তার বাবাকে সে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে, তবে বাবা ঘুমিয়ে থাকার কারণে বার্তা দেখতে পাননি। পরদিন সকালে তার মরদেহ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে উদ্ধার করা হয়।
গণনার বাড়িতে তাজমিন বাস করতাম, আর তার বাবা আব্দুল আলিম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কর্মরত। তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
অটোরিকশা জব্দে পড়ে থাকা সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি কে তদন্তকারীরা বিশ্লেষণ করছে। পুলিশের মতে, তাজমিনের মৃত্যুর প্রকৃতি, সুমনের সংশ্লিষ্টতা এবং ঘটনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেই, তাই তদন্তটি আধিয়।
