খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

আত্মীয়ের মুখ চেয়ে সন্তানের নিরাপত্তায় আপস করছেন না তো?

আত্মীয়দের সঙ্গে সন্তানের মেলামেশার সময় সীমানা নির্ধারণ করতে না পারা কি ঝুঁকির কারণ?

বাংলাদেশের অনেক পরিবারে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে শিশুদের নিয়মিত মেলামেশার রীয়ত রয়েছে। পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা মনে করেন, এভাবে নয়মধুর আত্মীয়তা বজায় রাখা যায় এবং শিশুরা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের চিনতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এমন কিছু আত্মীয় রয়েছেন যারা শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন যা বাবা-মায়েদের স্বস্তি দেয় না।

অভিযোগ আছে যে, কেউ কেউ শিশুকে অশালীন ভাষায় সম্বোধন করেন, কেউ বা তার সামনেই চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। আবার কেউ বা বাবা-মায়েদের নিষেধ করার পরেও শিশুকে এমন কিছু করতে দিয়ে থাকেন যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে মনে করা হয়। এ ক্ষেত্রে সন্তানের নিরাপত্তা এবং পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যের মধ্যে দায়িত্বের সংঘাত তৈরি হয়ে থাকে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞরা বলেন, আত্মীয়দের সঙ্গে শিশুর পরিচয় হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেটি শিশুর নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেললে তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। তারা মনে করেন, শিশুর সঙ্গে কারা মেলামেশা করবে এবং কতক্ষণ করবে, তা নির্ধারণ করা বাবা-মায়েদের অধিকার। যদি কোনো আত্মীয় শিশুর সঙ্গে অনুমোদিত সীমানা অতিক্রম করেন, তাহলে সরাসরি বাধা দেওয়া যেতে পারে।

যদিও সমাজের একটি অংশ মনে করে, পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুর সম্পর্ক ছিন্ন করা ভালো না, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য সীমানা নির্ধারণ করা জরুরি। যদি কোনো আত্মীয় শিশুকে অপমান করেন বা তার সামনে উচ্চস্বরে কথা বলেন, তাহলে তা শিশুর মানসিক বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে বাবা-মায়েদের করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে শিশু কল্যাণ সংগঠনগুলো বলছে, আত্মীয়দের সঙ্গে শিশুর মেলামেশার সময় এবং স্থান নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি কোনো আত্মীয় শিশুর সঙ্গে অনুমোদিত সীমানা লঙ্ঘন করেন, তাহলে তাকে শান্তভাবে বোঝানো যেতে পারে। যদি সমস্যা অব্যাহত থাকে, তাহলে শিশুকে সেই পরিবেশ থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

সাধারণভাবে, আত্মীয়দের সঙ্গে শিশুর মেলামেশা গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেটি শিশুর নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেললে তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। বাবা-মায়েদের উচিত শিশুর সঙ্গে কারা মেলামেশা করবে এবং কতক্ষণ করবে, তা নির্ধারণ করা এবং সেই সীমানা রক্ষা করা। যাতে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ নিরাপদে হতে পারে।

October 22, 2026
আত্মীয়ের মুখ চেয়ে সন্তানের নিরাপত্তায় আপস করছেন না তো?

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT