
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন একটি দিক উদ্ভাসিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অধীনে গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের দখল থেকে উদ্ধার করা প্রায় ৩০০টি সিডি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট quarters মনে করেন, এই ডিজিটাল আলামতগুলোর মধ্যে বर्षها ধরে অনসুলঝে থাকা এই হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ ক্লু বা সূত্র থাকতে পারে।
হাইকোর্টে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে এই তথ্য প্রস্তাব করা হয়েছে। তদন্তকর্তারা সিডিগুলোর বিষয়বস্তু যাচাই ও বিশ্লেষণের কাজ শুরু করেছেন। তবে সিডিগুলোতে কী আছে এবং এগুলো কতটুকু সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত, সে বিষয়ে επίশেষ কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। তদন্তকারীরা সিডিগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করার প্রক্রিয়ায় আছেন বলে জানা গেছে।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালের সকাল রাজধানীর ওস্টাগর রোড स्थित বাসায় সাংবাদিক দম্পতিকে ধারালো হাতিয়ারে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার ১৩ বছর বीतেও মূল আসামীদের শনাক্ত বা গ্রেফতاری সম্ভব হয়নি। এই בינতীতে নতুন করে উদ্ধার করা সিডিগুলো তদন্তে কতটুকু গতিবর্ধন আনবে, সেটা নিয়ে জিজ্ঞাসা বनी हुई है।
