খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

৩০ টাকার সবজি কিভাবে সেঞ্চুরি ছাড়ায়?

[ccfic]
[cox_photocard_button]

নিউজ ডেস্ক: শীতের হাওয়া বইতে শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু বাজারে নেই স্বস্তি। শীতকালীন সবজির দাম যেন উল্টো ঋতুর বার্তা দিচ্ছে। শহর থেকে গ্রাম-সবখানেই ভোক্তা ও কৃষকের মুখে শুধু হতাশা। আর এই ‘উত্তপ্ত’ বাজারের আড়ালে সবচেয়ে আলোচিত শব্দ-মধ্যস্বত্বভোগী।দরদামের আগুনে পুড়ছে ভোক্তাঢাকার কারওয়ান বাজারে দিনের শুরুটা এখন হতাশা দিয়ে। কয়েক সপ্তাহ ধরে নতুন সবজি বাজারে এলেও দামে কমার কোনো ইঙ্গিত নেই। ফুলকপি, বেগুন বা শিম-সবকিছুর দাম আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে ঢুকতেই সংসারের হিসাব গরম হয়ে ওঠে। এক ঝুড়ি সবজি কেনার আগেই টাকার হিসাব শূন্যের কোঠায় পৌঁছে যায়।পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে চিত্র আরও ভয়াবহ। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিনতে গেলে প্রতি কেজিতে গুনতে হয় অন্তত ২০ টাকা বেশি। তারা বলছেন-পাইকারি বাজারের সিন্ডিকেটের হাতেই তারা বন্দি। দাম বাড়িয়ে দেয় এই সিন্ডিকেট, আর সেই আগুনের আঁচ লাগে ভোক্তার পকেটে।কৃষকের ক্ষেত থেকে ভোক্তার ঝুড়ি-সিন্ডিকেটের ছয় ধাপযেখানে সবজি উৎপাদন হয়, সেখানে দাম একেবারেই কম-এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সমস্যা হলো হাতবদল। মাঠ থেকে শুরু করে শহরের বাজার পর্যন্ত সবজি বদলায় ৫-৬ বার। আর প্রতিটি ধাপেই দাম বাড়ে ৫ থেকে ২০ টাকা।সবজির যাত্রাপথ-কৃষকের ক্ষেতস্থানীয় ফড়িয়াআড়তদূরপাল্লার পরিবহনকারীঢাকার পাইকারখুচরা বিক্রেতাপ্রতিটি ধাপে কমিশন, পরিবহন, মুনাফা-সব কিছুর অজুহাতে বাড়ানো হয় দাম। ফলে গ্রামের বাজারে ৩০ টাকার সবজি ঢাকায় এসে সহজেই ছাড়িয়ে যায় ১০০ টাকার ঘর।কৃষক-গল্পের সবচেয়ে অবহেলিত চরিত্রসবজি যতই দাম বাড়ুক, কৃষকের ঘরে সে অনুপাতে টাকা ঢোকে না। মানিকগঞ্জের কৃষক মনিরুজ্জামান বললেন, “শ্রম আমাদের, ঝুঁকি আমাদের-কিন্তু লাভটা পায় ফড়িয়ারা।” দেশের লাখো কৃষকের গল্প একই। জমিতে ঘাম ঝরালেও ন্যায্য দাম থেকে তারা বঞ্চিত।সিন্ডিকেট লাভ তোলে, কৃষক লোকসান গোনে-দেখার কেউ নেই।বৃষ্টি, সরবরাহ ও বাজার-ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যাব্যবসায়ীরা বলছেন, এ বছর বৃষ্টি বেশি হওয়ায় ফসল ঠিকমতো হয়নি। সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। তবে আরেক মাস পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে-এমন আশা তাদের।তবে অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, এমন আশ্বাসে ভরসা পাচ্ছেন না ক্রেতারা। দাম কমার প্রতিশ্রুতি আসে প্রতি বছর, কিন্তু বাজারের বাস্তবতা একই থাকে-উচ্চ দাম, দীর্ঘশ্বাস আর দীর্ঘস্থায়ী সিন্ডিকেট।শেষ কথায়-সমস্যা একটাই: মধ্যস্বত্বভোগীর মুনাফাশীতের সবজি সস্তা হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তব চিত্র উল্টো। কৃষক ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত, ভোক্তা অতিরিক্ত দাম দিয়ে হাঁপিয়ে ওঠে-আর সব সুবিধা ভোগ করে মধ্যস্বত্বভোগীরা।ফলে গ্রামের মাঠের ৩০ টাকার সবজি শহরে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলে-এটাই এখনকার কঠিন বাস্তবতা।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT