খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

কেশবপুরের মাঠে আগাম শীতের শাক- সবজির চাষে ব্যস্ত সময় পার কৃষক

[ccfic]
[cox_photocard_button]

প্রতিনিধি:পরেশ দেবনাথ

কেশবপুরের মাঠে মাঠে আগাম শীতের শাক-সবজির চাষ করছেন কৃষক, লাভের আশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। শীতকাল-কে সামনে রেখে খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন শেখ আবুল হোসেন, কথা বলার সময় নেই, পাই (পিলের শেষ) শেষ করতে হবে সময় গড়িয়ে যাচ্ছে। একটু বদে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। ঠিক এসময় প্রায় আবদারের সুরে জমিতে কি বুনছেন বলতেই জানালেন, সার দেওয়া হচ্ছে। মাটি তৈরি হয়ে রয়েছে। লাউয়ের বীজ পুতছি। এক সপ্তাহ পর এই গাছ গুলো থেকে ডগা বের হয়ে ক্ষেত পূর্ণ হয়ে যাবে। আগামী ১৫ দিন পর থেকে লাউ এর ডগা কেটে বাজারে লাউশাক বিক্রি করবেন। কৃষক শেখ আবুল হাসেম জানান, তার ৫০ শতক জমিতে লাউ শাক-এর চারা লাগানো হয়েছে। এই ক্ষেত থেকে যে ডগা বের হবে সেগুলো শাক হিসাবে কেটে বাজারে পাঠানো হবে কার্ত্তিক মাস পর্যন্ত। এ জমি থেকে ১০ বার শাক কাটা যাবে ৫০ শতক জমিতে গত বছর প্রায় ৮০ হাজার টাকার শাক বিক্রি হয়েছিল। খরচ হয়েছিল প্রায় ২৬/২৭হাজার টাকা তিন মাসের এই শাকের জমি থেকে ৫০জাহার টাকার উপর লাভবান হয়েছিলেন তিন। এবছরও একই আশা নিয়ে সকাল-বিকাল লাউ-এর বীজ রোপন করা থেকে ডগা বের হয়ে লতানোর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত একটু বেশি পরিচর্যা করতে হয় বলে জানালেন। কার্ত্তিক মাস পর এই একই জমিতে উচ্চ ফলনশীল সরিষা বোপন করা হবে। লাউ এর পাতা জমিতে পড়ে যে জৈব সার উৎপন্ন হবে তাতে সরিষায় কম খরচে অধিক ফলন পাওয়া যাবে।কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের মির্জানগর, সাতবাড়িয়া ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ভাল্লুকঘর গ্রামের মধ্যখানে ঘোজের মাঠ জুড়ে বিভিন্ন রকম শাক-সবজির ক্ষেত কৃষকের ব্যস্ততা বলে দেয় কৃষি কাজে সময় দিলে তা বিফলে যায় না। রাস্তার উপর এসময় কথা হলো সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের কাস্তা গ্রামের আদর্শ কৃষক হাজী আব্দুস সাত্তার-এর সাথে, তিনি দুই জন শ্রমিককে সাথে নিয়ে পাশের মির্জানগর মাঠ থেকে তুলার চারা সংগ্রহ করে ফিরছেন। তার ক্ষেতে কিছু তুলার চারা অতি বৃষ্টির কারণে মরে নষ্ট হওয়ায় সেই ক্ষেত পূর্ণ করার জন্য মির্জানগর থেকে তুলার চারা সংগ্রহ করবেন। একই মাঠে এসময় অপর জমিতে কিটনাশক স্প্রে করছিলেন লিয়াকত হোসেন, তিনি তুলা চাষ করেছেন এখানে প্রায় ২৫শতক জমিতে। তুলার জমিতে কিটপতঙ্গের আক্রমন বেশি হওয়ায় পরিচর্যা বলতে তুলার চারা ছোট থাকতে কিটনাশক স্প্রে করতে হয।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি অধিদফতরের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চলতি মৌসুমে কেশবপুর উপজেলায় সবজি চাষের লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭শ ৫০ হেক্টর জমি। অতিবৃষ্টি জনিত কিছু জমি সময় মত আবাদ যোগ্য না হওয়ায় এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত চাষাবাদ সম্পান্ন হয়েছে ৬০০হেক্টেরের কিছু বেশি জমি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবছর কৃষক উৎপন্ন সবজির ন্যায্য দাম পেয়ে লাভবান হবে বলে আশা করেন তিনি।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT