খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্য লগ্ন শুভ মহালয়া আজ

শারদীয়া দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া আজ; ২১ অক্টোবর বিজয় দশমী

শনিবার (১০ অক্টোবর) শারদীয়া দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া। বাঙালি হিন্দুদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসবের আগমনধ্বনি আজ থেকেই সারা দেশে শোনা যাবে। মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার কালগণনা শুরু হচ্ছে।

মহালয়া কেবল দেবী দুর্গার পূজা শুরুর তিথি নয়, এটি পরলোকগত পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে তর্পণ বা জলদানেরও দিন। পিতৃপক্ষের অবসানের পরেই দেবীপক্ষ শুরু হয় এবং উভয়ের সন্ধি তিথিই হলো মহালয়া। শাস্ত্রমতে, এই মহালয়া অমাবস্যার বিধি পূজার মধ্য দিয়েই শারদীয়া দুর্গাপূজার সূচনা হয়।

ভোরের আলো ফুটে ওঠার সাথে সাথে পিতৃপক্ষ শেষ হয়ে দেবীপক্ষ শুরু হচ্ছে। সকালে চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে মর্ত্যে দেবী দুর্গাকে আহ্বান জানানো হয়। মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপেও উৎসবের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ দুর্গাপূজা শুরু হলেও আসলে মহালয়া থেকেই পূজোর গণনা শুরু হয়ে গেছে।

পুরাণ অনুযায়ী, দুর্গোৎসবের তিনটি প্রধান পর্ব হলো মহালয়া, বোধন ও সন্ধিপূজা। মহামায়া অসীম শক্তির প্রতীক। মহালয়ার দিনেই দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। শিবের বর অনুযায়ী কোনো মানুষ বা দেবতা কখনো মহিষাসুরকে হত্যা করতে পারতেন না। ফলে অতীন্দ্রিয় শক্তি সম্পন্ন মহিষাসুর দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অধীশ্বর হওয়ার চেষ্টা করেন। এতে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের সম্মিলিত শক্তিতে অমোঘ নারীশক্তি বা মহামায়া সৃষ্টি হন। দশটি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সিংহবাহিনী নিয়ে দেবী দুর্গা নয় দিনব্যাপী যুদ্ধে মহিষাসুরকে পরাজিত ও হত্যা করেন।

মহালয়ার ভোর থেকেই পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ শুরু হয়। সনাতন ধর্মমতে, পিতৃপক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। মৃত আত্মীয়-পরিজন ও পূর্বপুরুষদের আত্মার মঙ্গল কামনায় অনেকে জল, তিল ও অন্ন উৎসর্গ করে তর্পণ করেন।

আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হলেও মূলত আজ থেকেই পূজোর আগমনশব্দ শোনা যাচ্ছে। সারা দেশে বড় আড়ম্বরপূর্ণভাবে এই দিনটি উদযাপিত হবে। বিভিন্ন মন্দির ও পূজা কমিটি মহালয়ার বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। আর আগামী ২১ অক্টোবর ‘বিজয় দশমী’র মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

বাংলাদেশ জার্নাল ডেস্ক

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT