
# দুর্দান্ত শুরুর পরও ৮ উইকেট হারিয়ে দিন শেষ বাংলাদেশের
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ঢাকা থেকে আজ আবুধাবির ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আত্মপ্রতিষ্ঠিত আধিক্যের সাথে মুখোমুখি হয়েছিল। ৬৫ রানে অপরাজিত সাদমান ইসলামের প্রভাবশালী ব্যাটিং এবং বিপক্ষে বাংলাদেশ একটি অদ্ভুত অবস্থায় পড়েছে, যেখানে তাদের ইনিংস টেনে নিতে পারলেও শতকান্তের কাছে ঝুঁকি ব্যাপক। রমিজ রাজার প্রকাশ্যে জলপানী হওয়ার মতো কথা বলা হলেও প্রতিকুল্যথাৎ সাজসজীবনে শুরুর পরও দলটিকে প্রথম দিনের শেষ পর্যন্ত ঝুঁকির সামনে ঠেলে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেরা রকম বানানো ম্যাচে বাংলাদেশ তখনই ৩১৭/৮ে শেষ হয়েছে। দুই দলের মধ্যে একই গুণব্যবস্থা তৈরি হয়েছে—বাংলাদেশ ৩১৭/৮ এবং আফগানিস্তানও ৩১৭/৮। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান সাদমান ইসলাম ৬৭ রান করেছেন, যেখানে তার মধ্যে ৮ উইকেট হারানোর মারাত্মক প্রভাব অনুভূত হয়ে পড়েছে।
ম্যাচের সূচনা এতটাই দক্ষ ছিল যে বাংলাদেশ তার শুরুতে অনেক বেশি সুযোগ লাভ করেছিল। তবে কারো কোনোও দলকূলী ভালো করে শুরুর পরেই আন্ততের রকমতে ছিল। আবুধাবির মাঠে টেস্টের প্রথম দিনে পাকিস্তানের বিপর্যয়—৩ উইকেটে ৩০৭ রান—এই সংজ্ঞায়িত রেকর্ডকে বাংলাদেশ তৎকালীন ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। তারা এখনও তিনটি উইকেট পাচ্ছেন না, যা শতকান্তের দিকে এক নির্দিষ্ট সমাধানের দিকে প্রস্তুতি তৈরি করে দিচ্ছে।
বর্তমান অবস্থায় আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপে অভিজ্ঞতার অভাব স্পষ্ট। পাঁচ বিশেষজ্ঞ বোলারে মোটে ১৮টি টেস্ট খেলা হয়েছে—এটি তাদের সমন্বিত বোলিং অভিযোজনের একটি প্রমাণ। তানজিদ হাসানের মতো একজন অভিজ্ঞ স্পিনারের জন্য প্রায় ১৬ মাসের কোড্যাচ প্রয়োজন হয়েছে, যা বাংলাদেশের বোলিং দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। কিন্তু সংখ্যার মর্যাদায় বিপক্ষটির বোলারদের কৌশলগত দক্ষতা সম্পূর্ণভাবে উপস্থিত।
দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ সালিমের শর্ট বলের ফাঁদে বাউন্ডারি জোড়ার বিপদ ঘটে গেছে। তারপরই ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বলে বাংলাদেশের পঞ্চাশের চূড়ান্ত মুহূর্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। তানজিদ হাসান তার স্পিন প্রশিক্ষণের ফলে দ্বিতীয় পঞ্চাশ সামell করেছেন, যার মাঝে তিনি বিপক্ষের সেরা গোলসম্পাদক হয়ে উঠেছেন। তবুও সাদমান ইসলামের শেষ ৫ রানের মাঝে মুহূর্তটা ঝুঁকির সাথে পূর্ণ হয়ে যাওয়া ব্যাপক। একটি কট বিহাইন্ডে আত্মহত্যার মাধ্যমে সাদমান ৫ রান জীবিত করেছিলেন, যা তাদের ইনিংসের শেষ অংশে বেশ বড় সমৃদ্ধি।
ল্যান্চ বিরতির আগেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করার কীর্তির সম্ভাবনা তানজিদের মুখোমুখি হয়েছে। তিনি এদিনের খেলায় ৯০ বলে ৬০ রানের সুন্দর জুটি তৈরি করেছেন। তবে ল্যান্চ বিরতির পর সালিমের শর্ট বলের ফাঁদে আটকা পড়া ব্যক্তিগত সক্ষমতার সাথে সাথে তানজিদের মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ক্যারিয়ারের নবম ফিফটিতে ৬৭ রান করেছিলেন তিনি, যা তাদের ইনিংস ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে থিতু হওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশের প্রস্তুতিশীলতায় সাদতে প্রভাব ফেলেছে। মুমিনুল হক এবং নাজমুল হোসেন শান্তও তাদের ভুল করেছে। কাইস আহমাদের বল ছক্কায় উড়ে যাত্রা শুরু করেছেন, যা দলকে আরও অন্ধকারে নিয়ে গেছে।
তবে আধিক্যের অন্য কোনো দিকও রয়েছে। ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বোলারে প্রতি বারের নির্দিষ্ট মানের কৌশল পাওয়া যাচ্ছে, যা বিপক্ষের সংশ্লIST নেই। তাদের সেরা গোলসম্পাদক হিসেবে পাঁচ বিশেষজ্ঞ বোলারদের সাথে তারা প্রায় ১৮ টেস্ট খেলেছে। এই ব্যাপক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বোলিং অভিযোজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবুও আফগানিস্তানের বোলারদের সাথে তারা সম্পূর্ণ সমন্বয় করতে পারছে না।
ম্যাচের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৩১৭/৮ে শেষ হয়েছে, যা তাদের বিপক্ষে দীর্ঘস্থায়ী হারের পথে নিয়ে যেতে পারে। তানজিদ হাসানের শক্তিশালী স্পিন প্রশিক্ষণের ফলে তিনি বিপক্ষের সেরা গোলসম্পাদক হন, যা বাংলাদেশের ইনিংসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাদমান ইসলামের প্রভাবশালী ব্যাটিং এবং তার পঞ্চাশের ক্ষমতা দলটিকে আশার দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। তবুও ইনিংস টেনে নিতে ব্যক্তিগত সক্ষমতার সাথে সংঝালে চলা অসম্ভব নয়।
