
ইসরায়েলি মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে যে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যৌথভাবে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। সৌদি আরবের এই প্রতিক্রিয়া ইয়েমেনের চলমান সংঘাত নিয়ে আঞ্চলিক মিত্রতা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
একই সময়ে, ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বিরোধী নেতাদের ’24 ঘণ্টার মধ্যে’ রাস্তায় নামার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত স্পষ্ট নয়, খবরে বলা হয়েছে যে এই নির্দেশ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এসেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের খবরে বলা হয়েছে যে সৌদি আরবের অবস্থান কূটনৈতিক সূত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে দেশটি ইয়েমেনে বিদেশী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তার অবস্থানকে জোরদার করার ওপর জোর দিয়েছে। এই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয় যে নেতানিয়াহুর প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে কি উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং সৌদি আরব কেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এই খবরটি মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক জোট এবং ইয়েমেন সংকটের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে ইসরায়েল ও সৌদি আরব উভয়ই ইরানের প্রভাবকে একটি প্রধান উদ্বেগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
