
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা পাঠিয়ে গেলে। গত অক্টোবরের ১৯ম তারিখে রাজশাহীর বাগমারা থেকে ক্যাম্পাসে ফিরার途中 ট্রাকের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে প্রথমে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং তারপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক দখলে সিরাস fracture ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের পরিস্থিতি diagnóstico হয়, আইসিইউতে বেড়ালে রাখা হয়ে Ventilator পদ্ধতি শুরু করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, সকাল ঘণ্টার মধ্যে ডাক্তারদের পরামর্শে এই শিক্ষার্থীকে আরও উন্নত চিকিৎসায় দিনেরlight পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সি.এন.ও.এইচ. (National Institute of Neurosciences) যাতে সি.এন.ও.এইচ. ডা. ফরিদুল Islam এবং সংশ্লিষ্ট স্নাতক সমষ্টির ডাক্তাররা aanwezig, তাকে আইসিইউতে গ্রহণ করে ভেন্টিলেশনের অধীনে রাখা হয়। প্রশাসন আগেই তার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়ে দিয়েছে।
ড. মো. ফরিদুল Islam, উপাচার্য অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ বলেন, “আমার বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী চেসি ত্রিপুরা গতকাল গুরুতর আহত হয়। তার হেড ইনজুরি ছিল এবং স্কাল ফেটে গেল। ডাক্তাররা নিউরো সার্জারি সুপারিশ করছিল। আইসিইউতে থাকায় ভেন্টিলেশনে ছিল। suficient চেষ্টা করার পরে ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নেয় যে এই ছাত্রীকে ঢাকায় রেফার করব। আমরা ওই স্নাতক সমষ্টির ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, এবং ওর জন্য আইসিইউ প্রস্তুত। পৌঁছানোর পরেই চিকিৎসা শুরু হবে।”
প্রশাসনের発言ক বলেন, “আমরা কখনোই শিক্ষার্থীদের পাশে থাকব। সে বান্দরবনের দূরে থেকে পড়াৰ্থে এসেছে, তাই আমাদের দায়িত্ব। আমরা ইতিমধ্যে করেছি, ভবিষ্যতেও করবো ইনশাআল্লাহ।”
শেষে, প্রশাসনিক সভার অনুরোধে দেশবাসীরা এবং সমাজের জন্যও প্রার্থনা করা হয়, যেন চেসি ত্রিপুরা দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার লেখাপড়া শুরু করতে পারেন।
