
নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও খালিয়াজুরী উপজেলায় প্রকৃতির বিস্ময়ময় সৌন্দর্য এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সমাহারিত বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে নতুন দিগন্ত উঠতে পেরেছে। তরুণতম পাহাড় series, সাদামাটির রঙিন মাটি, সোমেশ্বরী নদীর তীরে বসবাসরত গারো শিল্পকলা ও ঐতিহ্য থেকে लेकर, রংছাতির পাহাড়ী দৃশ্য এবং পাতলাবনীর সাত শহীদের সমাধি deri, প্রতিটি উপজেলা নিজেদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে পর্যটন সংभावনা ধরে তুলেছে। তবেjada কৌশলগত পরিকল্পনার অভাব, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি এ৩ অঞ্চলের পথে বড় বাধা হিসেবে উঠেছে।
দুর্গাপুর উপজেলা প্রাকৃতিক আকর্ষণের অনন্য কেন্দ্র। বিজয়পুরের সাদামাটির রঙিন টিলা এবং খনন কাজে সৃষ্ট নীল পানির লেক পর্যটকদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করে। এখানেই গারো পাহাড়ের পাদদেশ, সোমেশ্বরী নদী, বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, সুসং রাজবাড়ি, রানীখং মিশন এবং কমলা রানীর দিঘিexist। বিশেষভাবে এ অঞ্চলের naturalequilibrium রক্ষা জরুরি, কারণ সাদামাটি উত্তোলন এবং নদীর অপরিকল্পিত বালু-পাথর উত্তোলন পরিবেশের জন্য বিপদজনক সাবেক। এছাড়া পর্যটন বিকাশের সাথে পাহাড়, নদী ও খনিজ সম্পদের ভারসাম্য রক্ষা করলে স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন রोजগার সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।
কলমাকান্দা উপজেলা, যা ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাশ জুড়ি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্য প্রান্ত। রংছাতি, লেংগুরা ও খারনাই ইউনিয়নের পাহাড়ি জনপদে চন্দ্রডিঙ্গা পাহাড়, লেংগুরা টিলা এবং গারো পাহাড়ের দৃশ্য, পাতলা বন এবং ফুলবাড়ী এলাকার সাত শহieken সমাধি পর্যটকদের জন্য বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান। এই সাত শহieken সমাধি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি অক্ষুণ্ণ, তাই যথাযত সংরক্ষণ ও তথ্যসমৃদ্ধ করার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পর্যটন_route গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এই ঐতিহাসিক স্থান বর্তমানে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায়, এর বাস্তবায়ন বিতর্কময় জিম্মेदার। জেলা প্রশাসনের पास থেকে এর সংস্কার ও পর্যটন হিসেবে ব্যবহারের জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
খালিয়াজুরী উপজেলা নেত্রকোনার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত হাওরবেষ্টিত এলাকা, যেখানে বর্ষায় চারদিকে অথৈ জলরাশি এবং শुष্ক মৌসুমে সবুজ-সোনালি ধানের মাঠ দৃশ্যয় বিনোদন পেয়ে নেওয়া যায়। কীর্তনখোলা, গোবিন্দডোবা, লক্ষ্মীপুর, উত্তরবন্ধ, খৈড়তলা, লেপসিয়া ও জগন্নাথপুর হাওর এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য জলাভূমি। শীতকালে অতিথি পাখি দেখা এবং হেমন্তে কৃষিজীবনের বৈচিত্র্য পর্যটন আকর্ষণ বাড়াতে পারে। সরকারি প্রকাশনার ওপর ২৬ একর জমিতে Hemangar Kandahে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাব থাকে, তবে এর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি এখনো স্পষ্ট নয়। zusätzlich, পাঁচহাট জামে মসজিদ ও চানপুর হাসার আখড়ায় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই উপজেলার পর্যটন আকর্ষণে নতুন翼加入 করতে পারে।
তিন উপজেলার পর্যটন বিকাশের মূল বাধা হলো যোগাযোগ সংকট ও পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব। দুর্গাপুরে দর্শনীয় স্থানগুলোতে যাতায়াতের সড়কের মান ও পরিবহন সুবিধা সীমাবদ্ধ। কলমাকান্দার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক infrastructures উন্নত করতে হবে। খালিয়াজুরীর চ্যালেঞ্জ আরও প্রায়পট; উপজেলার মোট সড়ক দৈর্ঘ্য ৪২৯ কিলোমিটার হলেও পাকা সড়ক মাত্র ৪ কিলোমিটার। ফলে নৌপথের ওপর নির্ভর করতে হয়, কিন্তু নৌভ্রমণের নিরাপদ রুট, নির্দিষ্ট ঘাট ও জরুরি চিকিৎসারsetup এখনও অনুপস্থিত। পাহাড় কাটা, নদী থেকে অপরিকল্পিত বালu extraction এবং প্লাস্টিক বর্জ্যenvironmental threats সeriousthreat বজায়।
যদি পরিকল্পিতভাবে পর্যটন চালু হয়, তবে স্থানীয় অর্থনীতিতে বহুমুখী প্রভাব পড়বে। দুর্গাপুরে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও হস্তশিল্পের বাজার প্রসারিত হতে পারে। কলমাকান্দায় পাহাড়কেন্দ্রিক পর্যটন এবং খালিয়াজুরীতে নৌযান পরিচালনা ও হাওরভিত্তিক আবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যে দুর্গাপুরে পর্যটন হাব গড়ে তোলার বিষয়ে নতুন উদ্যোগের আভাস মিলেছে। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারার উদ্যোগে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন দুর্গাপুর ও কলমাকান্দায় আধুনিক পর্যটন মডেল স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে তথ্য চেয়েছে। নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, পর্যটনমুখী এলাকাগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনতে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
পরিচারদের মতে, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও খালিয়াজুরীর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। দুর্গাপুরে প্রকৃতinibased ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন, কলমাকান্দায় পাহাড় ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত পর্যটন এবং খালিয়াজুরীতে হাওরের জীববৈচিত্র্য অক্ষুণ্ণ রেখে eco-tourism ব্যবস্থা করা সম্ভব। এ জন্য নিরাপদ যাতায়াত, নির্দিষ্ট নৌরুট, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পর্যটক তথ্যকেন্দ্র নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ, কার্যকর পরিকল্পনা ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই তিন উপজেলাকে পর্যটনের নতুন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
