খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

গহিন পাহাড়ে বিধ্বস্ত স্কুল পুনর্নির্মাণ, নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

বান্দরবালি/আলিকদম। বান্দরবানের আলিকদম উপজেলায় নয়াপাড়া ইউননের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছিল একটি প্রাথমিক विद্যালয় ও ছাত্রাবাস। পাঠদান বন্ধ হয়ে গেলে, চার পাড়ার প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ছিল। প্রশাসনীয় তৎক্ষণবদল ও স্থানীয় লোকের জোরে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণে ১০ লাখ টাকার বেশি ব্যয়িত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ নতুন ভবন উদ্বোধন করে শিক্ষার দুয়ার আবারöffnetা করা হয়।

বিদ্যালয়টি বিধ্বস্ত হওয়ার পর শিশুদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি মুখ্য শিক্ষক নুরুল ছাফা ভূঁইয়া বাবুর চোখে পড়ায় ব্যথা করি। তিনি দুরবস্থা বুঝিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীকে জানান। পরে জেলা প্রশাসকের সচেতনতায় বিষয়টি আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে গেল। प्रशাসনের উদ্যোগে স্কুলটি নতুন কাঠামোতে再造 করা হয়েছে। নুরুল ছাফা বাবু বলেন, “বিদ্যালয়টি বিধ্বস্ত হওয়ার পর শিশুদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া আমাকে ব্যথিত করে। দুর্গম পাহাড়ের এসব শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীকে জানাই। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় विद্যালয়টি পুনর্নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। আমি চাই, বিদ্যালয়টিতে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত হোক এবং শিশুরা Nirvighne পড়াশোনা করতে পারুক।”

মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ বলেন, “দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে विद্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আশপাশের চার পাড়ার শিশুরা এখানে পড়াশোনার সুযোগ পাবে। विद্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখাও জরুরি। শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বিষয়টি তিনি নজরে রাখবেন। শিশুদের পড়াশোনা যাতে কোনো কারণে বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।”

বিদ্যালয় উদ্বোধনের এক দিন আগে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আলীকদম সফরে গিয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করেন এবং তাদের মধ্যে উপহার বিতরণ করেন। এই সময় তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে মতবিনিময়ও করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গর্ডেন ত্রিপুরা বলেন, “প্রভল বৃষ্টিতে विद্যালয়টি ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিantikrat kirtogyota জানাই।”

স্থানীড় পাড়ার কারবারি দমলয় মুরুং বলেন, “এখানে চারটি পাড়ার মানুষ বসবাস করেন। শিশুদের পড়াশোনার জন্য আশপাশে আর কোনো विद্যালয় নেই। ২০২২-২৩ সালে বেসরকারি উদ্যোগে विद্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। পাহাড়ের শিশুদের ভবিষ্যতের একমাত্র আশার জায়গা এই विद্যালয়। বৃষ্টিতে স্কুলটি ভেঙে যাওয়ায় আমরা খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। এখন আবার विद্যালয়টি গড়ে ওঠায় আমাদের সন্তানদের স্বপ্ন ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় দ্রুত সময়ের মধ্যে विद্যালয়টি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।”

বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সজীব কান্তি রৌদ্র বলেন, “विद্যালয়টি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই আমি নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি। আমার আগের জেলা প্রশাসকও কয়েকবার विद্যালয়ের পরিস্থিতি জানতে চেয়েছেন। আমিও তাঁকে নিয়মিত সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছি।”

আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনজুর আলম বলেন, “विद্যালয়টি অতিবৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য ছিল।”

সাবেক আলীকদম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী ভুট্টু বলেন, “দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে विद্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে এখানে শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ সংকট নিরসনে শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলব। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”

November 3, 2026
গহিন পাহাড়ে বিধ্বস্ত স্কুল পুনর্নির্মাণ, নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT