খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

মন্ত্রী হয়েও বদলায়নি পথচলা, নেতাকর্মীদের ছেড়ে ওঠেননি মঞ্চে

মন্ত্রী হলেও নেতাকর্মীদের ছেড়ে মঞ্চে ওঠেননি

মানিকগঞ্জের এক প্রতিনিধি আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিতে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া আভিনিউ পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে গেছেন তিন। তিনি মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ সদস্য এবং এই বার দেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষমতা, পদ-পদবি ও প্রটোকলের বিশেষ গুরুত্ব থাকে। সময়ের সঙ্গে নেতার বাইরের দূরত্বও বাড়ল, কিন্তু নেতাকর্মীদের সঙ্গে একাকার হওয়ার দৃশ্য নতুন অনুভূতি জোগাল। খাদ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতাকে এই মুহূর্তে মনে হলো নতুন আলোচনার ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ পথের যাত্রায় তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাদা না করে হেঁটেছেন; হাজারো মানুষের ভিড়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গেই হেঁটেন। কর্মসূচির শেষ পর্যায়েও তাদের ছেড়ে আলাদা করে মঞ্চে না ওঠেননি।

নেত্রীকে এত কাছে পেরেছেন মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের কাছে এই পথচলা কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয় নয়, বরং প্রিয় নেত্রীর দৃঢ় চেতনা মনোভাব, দলের প্রতি আনুগত্য এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে আত্মিক বন্ধনের প্রকাশ। দীর্ঘ পথের সহযাত্রী হয়ে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার জানান।

এই দৃশ্য একেবারে নতুন নয়। ২০২৪ সালেও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে একইভাবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাজপথে হেঁটেন তিনে। সেবার মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী নিয়ে একই পথ পাড়ি দেন পায়ে হেঁটে। দুই বছর পর আবারও একই দিবসে দীর্ঘ পথের সহযাত্রী হলেন নেতাকর্মীদের।

দুই সময়ের দুই দৃশ্যের মধ্যে মিল খুঁজে পাচ্ছেন মানিকগঞ্জের দলীয় নেতাকর্মীরা। ২০২৪ সালে তিনি দলের নেত্রী ছিলেন; এবার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন মন্ত্রী। দায়িত্ব ও অবস্থানের পরিবর্তন হলেও নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাজপথে হাঁটার চিত্রে ধারাবাহিকতা দেখা গেছে।

বিশেষ করে মঞ্চের আনুষ্ঠানিকতা থেকে দূরে থেকে কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটানোর বিষয়টি আলাদা করে নজর কেড়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শীর্ষ নেতাদের অনেক সময় মঞ্চকেন্দ্রিক উপস্থিতিই বেশি চোখে পড়ে। সেখানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে একই কাতারে থাকা এবং তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানো কর্মীদের কাছে বেশি গুরুত্ব বহন করে।

জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আ.ই.ম. নূরতাজ আলম বাহার বলেন, “কর্মীদের সঙ্গে একজন নেতার সম্পর্ক যত দৃঢ় ও আত্মিক হতে পারে, আজ তারই বহিঃপ্রকাশ দেখেছেন নেতাকর্মীরা। নেত্রী যেভাবে কর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘ পথ হেঁটেছেন এবং তাদের ছেড়ে আলাদা মঞ্চে না গিয়ে পাশে থেকেছেন, তা নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জুড়েছে। এমন সম্পৃক্ততা নেতা-কর্মীর পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।”

২০২৪ সালে তিনি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন; এবার দেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা একজন মন্ত্রী। সময়ের ব্যবধানে তাঁর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় অবস্থান বদলেছে, দায়িত্বের পরিধি বেড়েছে। কিন্তু নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাজপথে পথচলার সেই দৃশ্যে দেখা যায়নি পরিবর্তন। মন্ত্রী হওয়ার পরও কর্মীদের সঙ্গে একই কাতারে হাঁটার এই মুহূর্ত মানিকগঞ্জের নেতাকর্মীদের কাছে শুধু স্মৃতি নয়, বরং নেতা-কর্মীর নিবিড় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার এক প্রতীকী প্রকাশ।

November 8, 2026
মন্ত্রী হয়েও বদলায়নি পথচলা, নেতাকর্মীদের ছেড়ে ওঠেননি মঞ্চে

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT