
দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারক ও মানবাধিকারকর্মী নাভানেেম ‘নাভি’ পিলাই আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচার ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। এ পুরস্কারটি শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি জোরদার এবং মানবকল্যাণে অবদানের জন্য বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ সম্মান।
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এ ঘোষণা করে। পিলাই দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া, ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক এবং রুয়ান্ডার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য এ বছর মোট ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনয়ন পেয়েছিল। মনোনীতদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বেশি ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে আলোচনায় ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, সুদানের জরুরি সহায়তা দল, ইউক্রেনে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন এবং দুটি আন্তর্জাতিক আদালত। এ ছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এর আগে ২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য তাঁর দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
