খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

এসআইআর স্থগিতসহ সুপ্রিম কোর্টে রাহুল গান্ধীর ১০ দাবি

শিরোনাম: ভারতে নির্বাচনী বিতর্ক: সর্বোচ্চ আদালতে রাহুল গান্ধীর ১০ দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত চাওয়া

ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ তীব্র সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া সাসপেন্ড এবং নির্বাচনী অনিয়মের তদন্তের দাবিতে সোমবার (১২ অক্টোবর) ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও বিরোধী দলগুলোর নেতারা। এনডিটিভির রিপোর্টের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আবেদনে মোট ১০টি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের ওয়েবসাইটে মামলাটি ‘রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন’ নামে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, নির্ধারিত বিকেল সাড়ে চারটার সময়সীমার আগে সর্বোচ্চ আদালতে পৌঁছাতে না পেরে কংগ্রেসের আইনজীবী এস প্রসন্ন মাধ্যমে আবেদনটি দাখিল করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় নিজেও সর্বোচ্চ আদালতে যান রাহুল গান্ধী। আবেদনে নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে। এর আগে এসআইআর ও কথিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র নেতারা দিল্লিতে মিটিং করেছিলেন।

আবেদনে উত্থাপিত দাবিগুলো হলো: এসআইআর শুরু হওয়ার সিদ্ধান্তের সাথে সম্পর্কিত সব নথি, চুক্তি, সভার কার্যবিবরণী ও আপত্তির রেকর্ড আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। এসআইআর সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোর সংবিধানিক বৈধতা যাচাই করে, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধনের ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনকারী কর্তৃপক্ষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে; প্রয়োজনে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগগুলোর বৈধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নথিভুক্তকরণের নির্দেশ, অনলাইন ফর্ম-৬ ১৯৬০ সালের ভোটার নিবন্ধন বিধিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা, এবং সর্বোচ্চ আদালতের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনেরও দাবি রয়েছে। কমিটির কাছে এসআইআর সময়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া, তথ্য পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে প্রবেশাধিকার এবং ইভিএমের প্রযুক্তিগত কাঠামো পর্যালোচনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের নাম, বাদ দেওয়ার কারণ ও লিঙ্গ-বয়সভিত্তিক তথ্য বুথ অনুযায়ী প্রকাশ এবং যোগ্য ভোটারদের পুনর্নিবন্ধনের কার্যকর ব্যবস্থার দাবিও আবেদনে আছে। আইন অনুযায়ী নোটিশ ও শুনানির যথাযথ সুযোগ না দিলে কোনো ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না—এমন নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাঞ্জাবসহ যেসব রাজ্যে নির্বাচন সামনে, সেখানে নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত যোগ্য ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করার সুযোগ দেওয়ারও দাবি করা হয়েছে।

আবেদনের অন্যতম প্রধান দাবি হলো, এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়গুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব রাজ্যে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার অন্তরীণ নির্দেশ দেওয়ার। এছাড়া নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং যোগ্য নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষায় আদালত প্রয়োজনীয় অন্য কোনো আদেশ দিতে পারেন—এমন আবেদনও করা হয়েছে।

এনডিটিভির রিপোর্টে বলা হয়েছে, এসব দাবির মূল লক্ষ্য হলো এসআইআর প্রক্রিয়ার বৈধতা যাচাই, ভোটার তালিকা সংশোধনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যোগ্য ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখা। তবে আবেদনগুলোর ওপর আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কোনো তথ্য ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT