খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

চ্যাটজিপিটি দিয়ে বই লিখে সেরা সাহিত্য পুরস্কার

ফরাসি লেখক ফিলিপ জেনাদার স্বীকারোক্তি সাহিত্যের জগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক জাগিয়েছে। গত ৩ নভেম্বর প্রখ্যাত প্রি গঁকুর পুরস্কার জয় করার পরদিনই তিনি একটি রেডিও সাক্ষাৎকারে ওপরোক্ষভাবে স্বীকার করলেন যে, পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস ‘এল’ইনকনু ডু কে ডি জেভেল’-এ চ্যাটজিপিটি লেখা একটি বাক্য লুকিয়ে রেখেছিলেন।

৬২ বছর বয়সী জেনাদা ফ্রান্স ইন্টার রেডিওতে জানান, উপন্যাস লেখার সময় তিনবার এআই-র সাহায্য নিয়েছেন। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করলেন, পুরো বই এআই-র মাধ্যমে লেখা হয়নি। বরং গবেষণা, একটি প্রযুক্তিগত বিষয় যাচাই এবং পাঠকদের সাথে এক ধরনের ‘সাহিত্যিক খেলা’-র জন্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন।

সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনা ছিল পাঠকদের চ্যালেঞ্জ। জেনাদা দাবি করলেন, বইয়ে চ্যাটজিপিটি-র তৈরি একটি বাক্য লুকিয়ে রেখেছেন এবং পাঠকদের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন সেটি খুঁজে বের করতে। প্রায় ৭০টি উত্তর পেলেও কেউ সঠিক বাক্যটি শনাক্ত করতে পারলেন না। গত ৬ নভেম্বর আরটিএল-এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি সেটি উন্মোচন করলেন। মূল বাক্যটি ছিল— ‘বিশ্বাস করলে ক্ষতি নেই, কিন্তু তাতে টেবিলে খাবারও আসে না।’ জেনাদা মতে, এটি ছিল পাঠকদের সাথে সাহিত্যিক রসিকতার একটি পরীক্ষা।

লেখক জানান, প্রথমবারের মত বাক্য লুকানোর পাশাপাশি দ্বিতীয়বারের মত একটি কারিগরি বিষয়ে চ্যাটজিপিটি-র ‘অদ্ভুত ও হাস্যকর’ উত্তরটি ব্যঙ্গ করার লক্ষ্যে বইয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। তৃতীয়বারের মত গবেষণার কাজে এআই-র সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তবে উপন্যাসের মূল লেখা এআই-র মাধ্যমে তৈরি করার অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর মত, এআই-কে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়, বরং এটিকে চিনে বুঝে ব্যবহার করতে হবে যাতে মানুষ নিজের জায়গা হারায় না।

এ স্বীকারোক্তি সাহিত্যজগতে দ্বিমুখী নীতির প্রশ্ন তুলে ধরেছে। কারণ এর কিছুদিন আগে কানাডিয়ান-হাইতিয়ান লেখক থেলিসন ওরেলিয়েনের উপন্যাস এআই ব্যবহারের অভিযোগে গঁকুর পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। দুটি ঘটনার প্রেক্ষাপট ও এআই ব্যবহারের ধরন ভিন্ন হলেও, সাহিত্যে এআই-র গ্রহণযোগ্য সীমা কোথায়— তা নিয়ে আলোচনা গরম।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, লেখকের সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা থাকলে এআই সহায়ক হাতিয়ার হতে পারে। অন্যদিকে অনেকের আশঙ্কা, অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের নিজস্ব ভাষা, চিন্তা ও কল্পনাশক্তিকে দুর্বল করতে পারে। জেনাদার মতামত অনুযায়ী, এআই লেখকের বিকল্প নয়, কিন্তু লেখালেখির জগতে তার উপস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া বর্তমানে সম্ভব নয়।

November 8, 2026
চ্যাটজিপিটি দিয়ে বই লিখে সেরা সাহিত্য পুরস্কার

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT