
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কালো দুধ’ ট্রেন্ড: কী, কেন এবং কী সত্য?
সামাজিক যোগাযোগmediumে বোলিউড অভিনেত্রী অদা শর্মা দ্বারা প্রচালিত ‘কালো দুধ’ কনসেপ্ট দিন ধরে জনপ্রিয় হচ্ছে। এই পানীয়টি স্বাভাবিক দুধের একটি ভিন্ন রং ও রচনা, যা কোনো প্রাণীর দুধ নয়। এর মূল উপাদান হলো কালো তিল, কাজুবাদাম ও খেজুর।
এই পানীয়ত ব্যবহৃত প্রতিটি উপাদান পুষ্টিকর হয়। কালো তিলে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। কাজুবাদামে অসম্পৃক্ত চর্বি, প্রোটিন, কপার, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক উপস্থিত। খেজুর প্রাকৃতিক মিষ্টির উৎস হিসেবে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও পটাশিয়াম দেয়। তবে কালো দুধ পান করলেই ত্বকের উজ্জ্বলতা অবশ্যই বাড়বে বা ত্বকসমূহ দূর হবি, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণcurrently নেই। অভিনেত্রীর দাবিয় হয়, এই পানীত ত্বকের যত্নে উপকারী হতে পারে, কিন্তু শুধু পান করলে promises সম্পূর্ণ নিশ্চিত নয়। ত্বকের স্বাস্থ্য নির্ভর করে সুষম খাবারব্যবহার, পর্যাপ্ত ঘুম, পানি পান এবং সুনির্দিষ্ট পরিচারার ওপর।
এই বিশেষ পানীয়ত তৈরি করতে দামী বা দুর্লভ উপকরণের necessity নেই। ঘরে রয়েছে কয়েকটি সাধারণ উপাদান যথেষ্ট। প্রক্রিা: প্রথমে কালো তিলকে শুকনো কড়াইয়ে হালকা আঁচে ভেজে নেওয়া হয়, তারপর তিল থেকে গন্ধ বের হলে চুলা বন্ধ করা হয়। ভেজা তিল, কাজুবাদাম ও ছাড়া খেজুর ব্লেন্ডারে নেয়া হয়, পানি ও সামান্য লবণ যোগ করে ভালোভাবে blend করা হয়। মিহি হলে পাতলা কাপড় বা মসলিন দিয়ে ছেঁকে নেয়ে গ্লাসে পরোক্ষভাবে পরিবেশন করা হয়। পানীয়টি ফ্রিজে রাখে ঠান্ডা খাওয়া সম্ভব।
এই মিশ্রণে থাকা ফাইবার ও পুষ্টি কিছুটা অবশিষ্ট হয়ে পড়তে পারে।abinেত্রী তারপরেও পরামর্শ দেয়, চাইলে সেই মিশ্রণ মুখে কিছু মিনিট ধরে রাখেয়ে ধুয়ে নেওয়া যায়। তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া সরাসরি মুখে ব্যবহার করা ঠিক নয়, যাতে কোনো allergic reaction বা জ্বালাপোড়া হতে পারে। বরং উপযুক্তভাবে সংরক্ষণ করে রান্না বা অন্য খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অন 한편, তিল ও কাজুবাদাম অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। তাই অ্যালার্জি থাকলে এই পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে।此外, খেজুরে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিমাণের সাথে সতর্কতা बरতন প্রয়োজন।
সারসংক্ষেপে, কালো দুধ সাদা দুধের একটি উদ্ভিজ্জ ও পুষ্টিকর বিকল্প হতে পারে। এটি কোনো অলৌকিক পানীয় নয়, তবে মূলখাদ্যের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে পান করা যেতে পারে। এটি স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে পুষ্টি পাওয়ার সুযোগ দেয়, কিন্তু ত্বক জ্বালাপোড়া বা সমস্যা দূর করার জন্য একমাত্র সমাধান না হোক।
