
মিরপুরে স্টারলিং হিউম্যান হলার (লেগুনা) মালিক ও শ্রমিকদের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজি ও স্ট্যান্ড দখল নিয়ে আগেই যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তার প্রতিবাদে একটি পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্টারলিং হিউম্যান হলার লেগুনা মালিক সমিতির প্রধান মো: বিপ্লব হোসেন। তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় গত ৫ অক্টোবর লেগুনা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে যে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছিল, তাতে ওই সময় কিছু ব্যক্তি বিএনপির নাম ব্যবহার করে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, ওই সময় ইয়াকুব আলী নামে একজন ব্যক্তি স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা আদায় করছিলেন। স্থানীয় লোকজনের হাতে তাঁর কাছ থেকে আটককরা মানি ও রসিদ পাওয়া যায়, পরে পুলিশের কাছে তাঁকে সোপর্দ করা হয়।
বিপ্লব হোসেন আরও বলেন, ইয়াকুব আলীর লেগুনা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর পরিচয় ও বৈধ কাগজপত্রের বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এই অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং এগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মুখোমুখি হওয়া অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে স্টারলিং হিউম্যান হলার পক্ষে কালাম মিজি বলেছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাঁদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করার আগে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হবে। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত বিরোধ বা পরিবহন স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ থাকলে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা উচিত নয়।
স্টারলিং হিউম্যান হলার পক্ষ থেকে উত্থাপিত পাঁচটি মূল দাবি হলো:
১. গত ৫ অক্টোবরের ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
২. লেগুনা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি ও দখলের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করতে হবে।
৩. ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে, যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
৪. অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগেরও সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
৫. মিরপুরের লেগুনা মালিক ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিবহন স্ট্যান্ডগুলোকে অবৈধ অর্থ আদায় ও দখলদারিমুক্ত রাখতে হবে।
স্টারলিং হিউম্যান হলার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের চাঁদাবাজির পক্ষে কোনো অবস্থান নেই, স্ট্যান্ড দখলের পক্ষেও নয়। তিনি দাবি করেছেন, লেগুনা স্ট্যান্ডে গাড়ি্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ সত্য নয়। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সত্য উদ্ঘাটনের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। তিনি চান, ভিডিও ফুটেজ, মানি রসিদ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রমাণ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করা হোক।
অবশ্যই উল্লেখ্য, এই সংবাদ সম্মেলনটি আগের যে অভিযোগের প্রতিবাদে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
