
গুলশানের একটি আদালতে আওয়ারামী লীগের ১৪ জন, যার মধ্যে পটুয়াখালী জেলার সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভা সাবেক মেয়ার জিয়াউল হক, তিন দিনের রিমান্ডে কারাদণ্ডে রাখা। আদালতে তাঁর গ্রেফতারের দাবি দাঁড়াওয়ায় সাবেক পুলিশ সুপারvisor রুহুল আমিনের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদনটি দাখিল করা হয়, তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাঁদের তিন দিনের রিমান্ডের حکم দিচ্ছে।
ইনterne দাবি করা হয়েছে যে ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে বনানীর ফিটনেস জিম থেকে বাড়ি যানোর সময় ডিবি পুলিশ দ্বারা থামা হয়েছিল। তারপর ১ অক্টোবর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওপর জCapture করা হয়ে কারাগারে পাঠানো গਿਆ।
পূর্বে ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনটি সদস্যরা ঝটিকা মিছিল বের ছিলেন। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে দুই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে, যা পুলিশের দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে নিয়ন্ত্রণে তোলা হয়।
রিমান্ডে নেওয়া ১৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদ্দীন, সভাপতি শাহ মোস্তফা আলমগীর, মেজবাহ উদ্দিন, তরিকুল ইসলাম টুটুল, জুলহাস মণ্ডল সাকি, আরিফুল ইসলাম, সিজান, রুহুল আমিন ফারাজি, রাহান পারভেজ রুবেল, হারুন বাসার, বাবু শেখ, মো. খলিল, ফরিদ আহম্মদ কাঞ্চন, শেখ শহিদুল ইসলাম বাবু সরদার এবং অন্যথা চার জনের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে।
অন্য কয়েকজন আসামি আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে রিমান্ডের দাবি যাচাই করার সময় তদন্ত কর্মকর্তা ও উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদনটি দাখিল করা হয়, তবে আদালতে তিন দিনের রিমান্ডই দিনানোর দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
আইনজীবী শামীম আল সাইফুল সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তবে রিমান্ডের শর্তে আসামিদের আচরণ ও সন্দেহের সাথে মেলা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে রায়টিং বা অভিযুক্তি প্রমাণিত হবে না।
